হাতে আর মাস দুই অথবা তিন। বঙ্গে শুরু হয়ে যাবে বিধানসভা ভোটপর্ব। তার আগে আগামী মাসে অন্তর্বর্তী বাজেট(West Bengal Budget) পেশ করতে চলেছে তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরকার। দিনক্ষণ নির্দিষ্ট না হলেও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর এখানেই জনতার আগ্রহ তুঙ্গে। ভোটমুখী বাজেটে এবার কোন চমক দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার? আমজনতার জন্য 'দিদির প্রতিশ্রুতি' এবার কী? চলতি বছরই বিধানসভা ভোটে বলে এবার পেশ করা হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। অর্থাৎ বাজেটে ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচনের পর সরকার গঠন করলে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে।
ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর এখানেই জনতার আগ্রহ তুঙ্গে। ভোটমুখী বাজেটে এবার কোন চমক দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার? আমজনতার জন্য 'দিদির প্রতিশ্রুতি' এবার কী?
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। ওইদিন রবিবার হওয়া সত্ত্বেও 'বহিখাতা' হাতে সংসদ ভবনে ঢুকবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, পেশ করবেন ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট। এই বাজেটের দিকে নজর সব মহলের। বাংলা ও অন্যান্য ভোটমুখী রাজ্যগুলির জনসমর্থন পেতে মোদি সরকার কোনও বিশেষ ঘোষণা করে কিনা, তা দেখার বিষয়। বিশেষত বাংলার প্রাপ্য বকেয়া মেটাতে কেন্দ্র কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে কিনা, তা জানতে উদগ্রীব জনতা। সেই অনুযায়ী রাজ্যের ভোট অন অ্যাকাউন্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রীতি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বাজেটের একসপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারও বাজেট (West Bengal Budget) পেশ করে। সেই হিসেবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলায় 'ভোট অন অ্যাকাউন্ট' হওয়ার কথা। অর্থমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজেই অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারেন। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ''রাজ্য বাজেট অধিবেশনের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আর কিছুদিনের মধ্যে।'' এবার নজিরবিহীন ভাবে শীতকালীন অধিবেশন হয়নি। এসআইআরের কাজে বিধায়করা সকলে ব্যস্ত থাকায় অধিবেশনে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ৩১ জানুয়ারি এসআইআরের শুনানি পর্ব শেষ হওয়ার পর তাই বাজেট অধিবেশন হবে।
একুশের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রকল্প 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এর বরাদ্দ বৃদ্ধির মতো বড়সড় ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবছর অন্তর্বর্তী বাজেটে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছিল 'লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার'-এর অনুদান। তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একুশের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রকল্প 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এর বরাদ্দ বৃদ্ধির মতো বড়সড় ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবছর অন্তর্বর্তী বাজেটে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছিল 'লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার'-এর অনুদান। তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবার ছাব্বিশের আগে এমনই কোনও বড় 'উপহার' কি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার? অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পে অনুদান বৃদ্ধি করা হবে কিনা, সেদিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আমজনতা।
