দোলের দিন (Dol Yatra) অভব্য আচরণ এবং মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা, ঝামেলার অভিযোগে ৩৩০ জনকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেটিং থেকে শুরু করে বাড়ানো হয় টহলদারি। জানা যাচ্ছে, শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে লালবাজার। পাশাপাশি ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। শুধু দোল নয়, আজ হোলিতেও সকাল থেকে কলকাতা পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।
লালবাজারের সূত্র জানিয়েছে, রঙের উৎসবকে (Dol Utsav) কেন্দ্র করে যাতে কোনও গোলমাল না হয়, তার জন্য সারা শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। রাস্তায় থাকছেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ও ডিসি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও। দোলে রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট। এর মধ্যে ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থাকছে বিশেষ পুলিশ পিকেট, যেখানে মোতায়েন থাকছেন ৬জন পুলিশ আধিকারিক এবং পুলিশকর্মী। এ ছাড়াও আরও ৩১২টি জায়গায় পিকেটে থাকছেন তিনজন করে পুলিশকর্মী। এছাড়াও আজ হোলির দিন রাস্তায় হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড রাস্তায় থাকছে। ৬২টি পিসিআর ভ্যান ও সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিম শহরজুড়ে টহল দেবে। প্রত্যেকটি থানা এলাকার অপরিসর রাস্তাগুলিতে টহল দেবে পুলিশের বাইক।রং মেখে যাতে মদ্যপ অবস্থায় কেউ গঙ্গা বা জলাশয়ে স্নান করতে না নামেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতার ৬৬টি গঙ্গা ও বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা থাকছে। তার মধ্যে অন্তত ২৪টি ঘাটে মোতায়েন করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের ডিএমজি।
রঙের উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও গোলমাল না হয়, তার জন্য সারা শহরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। রাস্তায় থাকছেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ও ডিসি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও। দোলে রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট। এর মধ্যে ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থাকছে বিশেষ পুলিশ পিকেট, যেখানে মোতায়েন থাকছেন ৬জন পুলিশ আধিকারিক এবং পুলিশকর্মী।
এ ছাড়াও দশটি ডিভিশনে একেকটি করে ডিএমজি টিম তৈরি থাকছে। বহুতলের ছাদ বা বারান্দা থেকে পথচারীদের দিকে রং বা জলভর্তি বেলুন না ছোড়া হয়, সেদিকেও এদিন কড়া নজর পুলিশের তরফে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে কোনও গোলমালের খবর পেলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী ঘটনাস্থলে যাতে পৌঁছয়, তার জন্য প্রত্যেকটি থানাকে সতর্ক করছে লালবাজার। জোর করে রং দেওয়া বা রং খেলার নামে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এলেই সঙ্গে সঙ্গে থানাকে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বেআইনি মদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
