নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (NRS Hospital) রহস্যজনক মৃত্যু কর্মরত নার্সের! হাসপাতালে স্ত্রী রোগ বিভাগের শৌচালয় থেকে উদ্ধার যুবতীর দেহ। কী করে মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
নার্স বুধবার রাত ৮ টায় ডিউটিতে জয়েন করেন। তারপর রাত ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ তিনি শৌচাগারে যান। প্রায় ৭ মিনিট হয়ে গেলেও তিনি ফিরে আসেননি। সন্দেহ হওয়ায় সহকর্মীরা তাঁকে খুঁজতে যান। শৌচালয়ের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। বারবার ডাকার পরও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে ডিউটি করছিলেন ওই নার্স। শৌচালয়ে যান তিনি। তারপর বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও ফিরে আসেননি তিনি। পরে বিভাগের শৌচালয় থেকেই নার্সের দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এনআরএস হাসপাতালে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। কথা বলেন হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নার্স দমদমের বাসিন্দা। বয়স ৩০ বছর। বুধবার রাতে এন্টালি আউট পোস্টের থেকে থানায় খবর যায়। হোমিসাইড পুলিশ ও এন্টালি থানার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ জানিয়েছে, সেই সময় যুবতীকে বেডে শোওয়ানো ছিল। তদন্তে উঠে আসে, নার্স বুধবার রাত ৮ টায় ডিউটিতে জয়েন করেন। তারপর রাত ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ তিনি শৌচাগারে যান। প্রায় ৭ মিনিট হয়ে গেলেও তিনি ফিরে আসেননি। সন্দেহ হওয়ায় সহকর্মীরা তাঁকে খুঁজতে যান। শৌচালয়ের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। বারবার ডাকার পরও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। কোনও উপায় না দেখে মহম্মদ সামশের আলম ও শ্রেয়া গাইন নামে হাসপাতালের কর্মীরা দরজা ভেঙে ফেলেন। ভেতরে তাঁরা ওই নার্সকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
সঙ্গে সঙ্গে নার্সকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের বেডে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করেন। তিনি যুবতীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করার পর কোনও আঘাতের চিহ্ন বা সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
