মার্চ মাস থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে শুরু করেছেন উপভোক্তারা। এবার দ্বিতীয় মাসের টাকাও ১০ এপ্রিল থেকে দেওয়া চালু হয়ে যাবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। প্রথমে এই সুবিধা ১ এপ্রিল থেকে চালু হওয়ার কথা থাকলেও পরে তারিখ এগিয়ে আনা হয়। উপভোক্তারা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পেতে শুরু করেন ৭ মার্চ থেকে। প্রথম পর্যায়ের পর এবার চলতি মাসেই এই টাকা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।
রাজ্য বাজেটে বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তার ফলে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে আবেদনকারীরা টাকা পাচ্ছেন। সরাসরি আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকছে টাকা। তবে যুবসাথীতে আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত বেঁধে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সিরা আবেদন করেন। যাঁরা রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের আওতায় তাঁরা টাকা পাবেন না বলেই জানানো হয়। প্রকল্পের কথা ঘোষণার সময় জানানো হয়, এপ্রিল থেকেই মিলবে এই প্রকল্পের সুবিধা।
এসআইআরের প্রতিবাদে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনার দ্বিতীয় দিনে মমতা জানান, এপ্রিল নয়, গত ৭ মার্চ থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা। প্রাথমিকভাবে আগামী পাঁচ বছর প্রতিমাসে এই টাকা পাবেন আবেদনকারীরা। তারপরও যদি কেউ বেকার থাকেন, সেক্ষেত্রে রিভিউ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সিংহভাগ আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। যুবসাথীর টাকা পেয়ে তাঁরা যথেষ্ট খুশি। তবে কারও কারও অভিযোগ, মেসেজ পেলেও, অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি ভাতা। এই সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলেই জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৯ মার্চ, পুরুলিয়ার মানবাজারের প্রচার সভার মঞ্চ থেকে মমতা জানান, “যাঁরা দরখাস্ত করেও টাকা পাননি, তাঁদেরগুলো ডুপ্লিকেট হয়ে গিয়েছে। এরপর তাঁদের ডেকে সংশোধন করা হবে। সকলেই পাবেন এই টাকা।” মমতার আশ্বাসে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তিতে এখনও ভাতা না পাওয়া আবেদনকারীরা।
