৯৪ বছরের ইতিহাসের সাক্ষ্য মুছল অবশেষে। কলকাতার অন্যতম রাস্তা সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে বসল নতুন নামফলক। পার্কসার্কাস সেভেন পয়েন্টসের কাছে এই রাস্তাটি এখন থেকে 'গোপাল মুখার্জি রোড'। ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নামবদলের ঘোষণা করেছিলেন। তার একসপ্তাহের মধ্যেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হল। শনিবার, ২৭ জুন কলকাতা পুরসভার তরফে গোপাল মুখার্জি রোডের নতুন নামফলক বসানো হল রাস্তায়। শুরু হল এ রাস্তার নতুন পথচলা।
গোপাল মুখার্জি রোডের পথচলা শুরু
রাজ্য সরকারের নির্দেশে দ্রুত রাস্তার নতুন নাম-পরিচয় সামনে আনতে তোড়জোড় শুরু হয় কলকাতা পুরসভায়। শেষমেশ ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তিত নাম পেল পার্কসার্কাসের সোরাবর্দি অ্যাভিনিউ। শনিবার দেখাগ গেল, এই রাস্তায় বসেছে নয়া নামফলক - গোপাল মুখার্জি রোড। অন্যদিকে, 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংস' রুখে দেওয়া বীর বঙ্গ সন্তান গোপাল মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর একটি আবক্ষ মূর্তি তৈরি হচ্ছে কুমোরটুলিতে।
কলকাতার পার্কসার্কাসের অন্যতম প্রধান ও ব্যস্ততম রাস্তা ছিল সোরাবর্দি অ্যাভিনিউ। ১৯৩২ সালে স্যার হাসান সোরাবর্দির নামে কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট বা কেআইটি রাস্তাটির নামকরণ করেছিল। হাসান সোরাবর্দি ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম উপাচার্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক। ২০২৬ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই রাস্তার নামবদলের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০ জুন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জানান, “পশ্চিমবঙ্গ দিবসের পবিত্র দিনে শনিবার কলকাতা পুরসভার নেওয়া ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে আমি সাধুবাদ জানাই। এই সিদ্ধান্ত এক ঐতিহাসিক ভুল শোধরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। এবার থেকে সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নতুন নাম হবে গোপাল মুখার্জি রোড।”
এই নামবদল কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে ইতিহাসপ্রেমী মহলে বেশ চর্চা হয়। পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কও হয় বেশ। তবে রাস্তার নামবদলকে শহরবাসীর বেশিরভাগ স্বাগত জানিয়েছেন। রাজ্য সরকারের নির্দেশে দ্রুত রাস্তার নতুন নাম-পরিচয় সামনে আনতে তোড়জোড় শুরু হয় কলকাতা পুরসভায়। শেষমেশ ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তিত নাম পেল পার্কসার্কাসের সোরাবর্দি অ্যাভিনিউ। শনিবার দেখাগ গেল, এই রাস্তায় বসেছে নয়া নামফলক - গোপাল মুখার্জি রোড। অন্যদিকে, 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংস' রুখে দেওয়া বীর বঙ্গ সন্তান গোপাল মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর একটি আবক্ষ মূর্তি তৈরি হচ্ছে কুমোরটুলিতে। সবমিলিয়ে ইতিহাসের পাশাপাশি এবার শহরবাসীর দৈনন্দিন জীবনেও জড়িয়ে গেলেন গোপাল পাঁঠা।
