আগামী ২০ জুন, এবার বড় করে বাংলায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হবে। সেদিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা করবেন তারকেশ্বরে। সেই সভা থেকে বাংলার জন্য একগুচ্ছ ঘোষণাও করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায়। ডবল ইঞ্জিন সরকার রাজ্যে। একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল বাংলার মানুষ পেতে চলেছে এবার। আর তারকেশ্বরের সভামঞ্চ থেকে বাংলার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার কী কী করতে চায় তার একাধিক ঘোষণা ওইদিন নিজমুখে করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪৭ সালের ৫ এপ্রিল তারকেশ্বরেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছিলেন। তাই পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করতে প্রধানমন্ত্রী তারকেশ্বর আসছেন বলে বিজেপি শিবিরের বক্তব্য।
ব্রিগেডে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মোদি। তার দেড় মাসের মধ্যে আবার তিনি আসছেন। তাঁর দু'দিনের এই সফর। প্রথম দিন অর্থাৎ ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস। আর দ্বিতীয় দিন ২১ তারিখ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে কলকাতায় যোগা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠকও হয়েছে দলের তরফে। ওইদিন তারকেশ্বরে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও রাজ্যের সমস্ত নেতা উপস্থিত থাকবেন। রাজ্যের সব বিধায়ক ও সাংসদদের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের কথা আগেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তৎকালীন প্রাদেশিক আইনসভায় বঙ্গের বিভাজন এবং তার পশ্চিমাংশের ভারতভুক্তির প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি হয়েছিল। প্রস্তাব পাস হয়। ওইদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিজেপি অনেক আগেই দাবি করেছিল। কিন্তু আগের তৃণমূল সরকার তা মানতে চায়নি। রাজ্যে পালাবদলের পরই ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঘোষণা করেছে বিজেপি সরকার। আর ১৯৪৭ সালের ৫ এপ্রিল তারকেশ্বরেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছিলেন। তাই পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করতে প্রধানমন্ত্রী তারকেশ্বর আসছেন বলে বিজেপি শিবিরের বক্তব্য। আর তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকে বিজেপিকে জয় উপহার দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে ধন্যবাদও জানাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারকেশ্বরে প্রধানমন্ত্রীর সভা ও ২১ জুন কলকাতায় যোগা দিবস নিয়ে রবিবার রাজ্য বিজেপি একটি প্রস্তুতি বৈঠক করেছে। পার্টির উদ্যোগে প্রতিটি মণ্ডলে স্থানীয় যোগ সংগঠনের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের কথা বলা হয়েছে।
