স্টাফ রিপোর্টার: চৈত্রের শেষে শীতের আমেজ। অফিস যাওয়ার পথে গায়ে উঠেছে হালকা গরম কাপড়। সকালে স্নানের আগে জল গরম করতে হয়েছে। ফ্যানের স্পিড কমিয়ে গায়ে চাদর জড়িয়েছে বং ব্রিগেড। হাওয়া অফিসের থার্মোমিটার বলছে সপ্তাহের প্রথম দিনের তাপমাত্রা ১৯.৬। যা স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ডিগ্রি কম। ফলে সকাল থেকেই অকাল শীতের আমেজ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে সকলে।
[বাগে পেলে লালগড়ের বাঘকে বক্সায় ‘গার্হস্থ্য’ জীবনে পাঠানো হবে]
মার্চের শেষেই তাপমাত্রা ত্রিশের কোঠা পেরিয়ে গিয়েছিল। এপ্রিলেও ভোগান্তির আশঙ্কা করেছিল সকলে। কিন্তু রবিবারের ঝোড়ো হাওয়া স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে রাজ্যের মানুষের জন্য। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পূর্ব ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় উপত্যকায় তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তই স্বস্তি জোগাচ্ছে। তার সঙ্গে দোসর হয়েছে জলীয় বাষ্প। দুইয়ে মিলে তৈরি করেছে বজ্রগর্ভ মেঘ। রবিবার বিকেল সেই কালো ষাঁড়ের মতো মেঘ থেকেই বৃষ্টি হয়েছে ৮ মিলিমিটার। ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বয়ে গিয়েছে রাজ্যের উপর দিয়ে। ঝড়ের চোটে গাছ উপড়ে গিয়েছে কোথাও কোথাও। সোমবারও বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বর্ধমানে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বিকেলের দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনাতেও।
[স্কুলের ফর্মে ধর্ম উল্লেখ না করে নজির মহম্মদবাজারের ছাত্রীর]
ঘূর্ণাবর্ত দানা বাঁধার পরে দু’দিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি হচ্ছিল। কলকাতার কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল তা। ভ্যাপসা গরমে হাপিত্যেশ করে বসেছিলেন কলকাতার বাসিন্দারা। রবিবার বিকেলে র্যাডার চিত্রে দেখা যায় কলকাতার আকাশের উপর জড়ো হচ্ছে মেঘের রাশি। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে এই এপ্রিলে এমন আরও তিনটে কালবৈশাখী পেতে পারে রাজ্য। নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হলে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। সেই মেঘই উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বাতাসের ধাক্কা পেয়ে পশ্চিমের জেলাগুলি পেরিয়ে কলকাতার আকাশে ঢুকে ঝড়-বৃষ্টি ঘটাবে এপ্রিলে।
[পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত বদল]
The post আচমকা বৃষ্টির জের, এক ধাক্কায় বঙ্গের তাপমাত্রা নামল ৫ ডিগ্রি appeared first on Sangbad Pratidin.
