জারি হয়ে গেল রাজ্যসভার নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি। সেইসঙ্গে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় শুরু হয়ে গেল ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি। বৃহস্পতি, শুক্র ও সোমবার - তিনদিন ধরে বিধায়কদের বিধানসভায় এসে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবনায় সই করার কথা। তৃণমূল ও বিজেপি দু'দলের তরফেই সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ নির্বাচনের দিন ধার্য হয়েছে।
বিধানসভার সচিবালয় সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির পরপরই তৃণমূলের বিধায়কদের মধ্যে প্রায় ৯০ জন সেই প্রস্তাবনায় সই করে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে যেমন ছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ, নির্মল মাজি-সহ অনেকেই। তৃণমূল কংগ্রেস দ্রুত রাজ্যসভায় তাঁদের প্রার্থী ঘোষণা করে দেবে বলে খবর। সেক্ষেত্রে দলের প্রার্থীদের মনোনয়নে আরও গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যসভার একেকজন প্রার্থীর হয়ে প্রস্তাবক হিসাবে ১০ জন করে সই করতে পারবেন। শাসকদল তৃণমূলের হয়ে ৪ জন প্রার্থী ও বিজেপির তরফে একজন প্রার্থীর ভোটে দাঁড়ানোর কথা। বাড়তি প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ কোনও পক্ষেরই নেই। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও সুযোগ থাকবে না। ফলে ভোটের দিনই ফলাফল ঘোষণা হয়ে যেতে পারে।
আরও জানা গিয়েছে, বিজেপির প্রার্থীর জন্য সই করেছেন ২-৪ জন বিধায়ক। রাজ্যসভার একেকজন প্রার্থীর হয়ে প্রস্তাবক হিসাবে ১০ জন করে সই করতে পারবেন। শাসকদল তৃণমূলের হয়ে ৪ জন প্রার্থী ও বিজেপির তরফে একজন প্রার্থীর ভোটে দাঁড়ানোর কথা। বাড়তি প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ কোনও পক্ষেরই নেই। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতারও সুযোগ থাকবে না। ফলে ভোটের দিনই ফলাফল ঘোষণা হয়ে যেতে পারে।
আগামী ১৬ মার্চ নির্বাচনের দিন ধার্য হয়েছে। ৫ মার্চ মনোনয়ন দেওয়ার শেষ দিন। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই হবে। ৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ থাকলে ১৬ মার্চ ভোট হওয়ার পর ওই দিন থেকেই গণনা শুরু হবে। ২০ মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করে ফেলার কথা।
