'আর জি কর ফাইলস' খুলতেই নয়া মোড়। দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হল আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালতে। একইসঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী শশীকান্ত চন্দকের বিরুদ্ধেও চার্জ গঠন করা হয়েছে। সেই মতো আগামী ১২ জুন থেকে শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া। সেদিনই বেশ কয়েকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ নেওয়া হবে।
আর জি কর দুর্নীতি মামলায় এর আগে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। শুরু হয় বিচারপর্ব। বিচারপর্ব চলাকালীনই আর জি কর দুর্নীতি মামলায় 'হুইসল ব্লোয়ার' হিসাবে উঠে আসা আখতার আলিকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। গ্রেপ্তার করা হয় শশীকান্ত চন্দককে। যিনি আখতার আলির অন্যতম ঘনিষ্ঠ একজন ব্যবসায়ী। দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে দ্বিতীয় দফায় আজ, সোমবার আখতার আলি এবং শশীকান্ত চন্দকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন হল আলিপুর সিবিআই আদালতে। আগামী ১২ জুন থেকে শুরু হবে বিচারপ্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে ডাকা হবে সাক্ষীদের। এমনকী এর আগে যারা সাক্ষী দিয়েছেন, তাঁদেরও নতুন করে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকা হবে বলে খবর।
বলে রাখা প্রয়োজন, আর জি কর ধর্ষণের কাণ্ডের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে সরব হন আখতার আলি। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। হাই কোর্টের নির্দেশে সিবিআই ও পরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই মামলায় তদন্ত শুরু করে। গ্রেপ্তার হন আর জি করের প্রাক্তন সুপার সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪ জন। তদন্ত শুরু হতেই আখতারের বিরুদ্ধেই দুর্নীতিতে জড়িয়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। বারবার হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ায় আদালত তাঁকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। অনেক টালবাহানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আখতার। অসুস্থতার কথা জানিয়ে জামিনের আবেদন করেন তিনি। সেই আবেদন খারিজ করে আদালত। জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই থেকে জেল হেফাজতেই রয়েছেন আখতার আলি, সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকি অভিযুক্তরা।
