নতুন করে যাতে আর অশান্তি না হয় তাই পার্ক সার্কাসে বাড়ল নিরাপত্তা। মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী। নামানো হয়েছে ব়্যাফ। আনা হয়েছে জলকামান। তবে যানচলাচল আপাতত স্বাভাবিকই রয়েছে। খুলেছে স্থানীয় দোকানপাটও। এদিকে, এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৮। যে বা যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
বুলডোজার অ্যাকশন-সহ একাধিক ইস্যুর বিরোধিতায় রবিবার দুপুরে একদল বিক্ষোভকারী পার্ক সার্কাসে জড়ো হয়। খবর পাওয়ামাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসেও চলে হামলা। দেদার ভাঙচুর করা হয়। এককথায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পার্ক সার্কাস চত্বর।
পরিস্থিতি বেসামাল হওয়ায় পালটা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। তাতে কমপক্ষে ৩ জন পুলিশকর্মী জখম হন। এই ঘটনার পরই শুরু হয় ধরপাকড়। সোমবার সকালে ধৃতদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮। এই ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত রয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে। আরও অনেকেই গ্রেপ্তার হতে পারে বলেই জানান আধিকারিকরা। এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, যে বা যারা জড়িত তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। ইচ্ছা করে অশান্তি তৈরি করতে বিক্ষোভকারীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলেও মনে করছেন মন্ত্রী।
