গোবিন্দ রায়: সিঙ্গল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খেলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শুক্রবার মতুয়া মেলার কর্তৃত্ব নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সূত্রে খবর, অল ইন্ডিয়া মতুয়া সংঘের নামে মেলা করতে হবে। বারুণী মেলার রাশ কার হাতে থাকবে তা নিম্ন আদালতে বিচারাধীন।
নিম্ন আদালতই তা ঠিক করবে। আপতত দু'পক্ষকেই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে মেলা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৪ তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে শুরু হয়েছে বারুণী মেলা। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির কামনা সাগরে পুণ্যস্নান করেন লক্ষাধিক মতুয়া ভক্ত। পাশাপাশি বসে মেলাও। সাতদিন ধরে চলবে সেই মেলা। চলতি বছরে মেলার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দড়িটানাটানি শুরু হয় মমতাবালা ঠাকুর ও শান্তনুর মধ্যে। জল গড়ায় হাই কোর্ট পযর্ন্ত। বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি জেলা পরিষদকেই নিয়ম মেনে অনুমতি দেওয়ার কথা বলেন। সেই মতো এবারের মতুয়া মেলার দায়িত্ব পান মমতা ঠাকুর। আয়োজন করা হয় মেলার।
তবে মেলার কর্তৃত্ব পেতে মরিয়া শান্তনু ফের জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে যান। হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ শান্তনুর মামলা খারিজ করে দেয়। তারপর এই বিজেপি নেতা ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আর্কষণ করেন। মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় আদালত। শুক্রবার সেই মামলা শোনার পর আবেদন খারিজ করে দিল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, দু'পক্ষকেই শান্তিপূর্ণ ভাবে মেলা করার কথা বলা হয়েছে।