অর্ণব আইচ, কলকাতা: ভাড়াটিয়াকে বাড়ি থেকে তুলতে না পেরে মারধরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তির বাড়িওয়ালা ও প্রোমোটারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শুধু মারধরই নয়, ভাড়াটিয়াকে বাড়িতে একা পেয়ে শ্লীলতাহানিও করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর মুখ বেঁধে রেখে ঘরে ভাঙচুর চালায় প্রোমোটারের দলবল। ছেলে ও মাকে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ঘটনাটি ঘটেছে সিঁথি থানা এলাকার ১২২-এ সাউথ সিঁথি রোডে।
[রাজ্যসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা, চারটিতেই জয়ী তৃণমূল]
জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় বাড়িতে একাই ছিলেন অঞ্জনাদেবী। সেই সময় বাড়িওয়ালা ও প্রোমোটার-সহ বেশ কিছু লোক তাঁর ঘরে ঢুকে পড়ে। আচমকাই ওই মহিলার উপরে চড়াও হয়। তাঁকে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানিও করে বলে অভিযোগ। মারধরের পর তাঁর মুখ চেপে ধরে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুরও করা হয়। পেশায় আয়া কর্মী ওই মহিলা ২০১৬-র মার্চ মাসে ওই বাড়িতে ভাড়ায় আসেন। বাড়িওয়ালার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তিও হয়। অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরে সেই চুক্তি মানতে চাইচেন না বাড়িওয়ালা। তাঁকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিরন্তর চাপ দেওয়া হচ্ছে। যখনই এই প্রসঙ্গ উঠছে তখনই ওই মহিলা চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন বাড়িওয়ালাকে। বাড়িওয়ালা একা না পেরে প্রোমোটারকে নিয়ে আসেন। প্রায়ই বাড়ির মধ্যে প্রোমোটার ও তার লোকের আনাগোনা দেখা যায়।
এদিকে ভাড়াটিয়ার মুখে না শুনে বেজায় চটেছিলেন বাড়িওয়ালা। মোক্ষম শাস্তির সুযোগ খুঁজছিলেন। সেইমতো লোকজন শুক্রবার দুপুরে হানা দেয় অঞ্জনাদেবীর ঘরে। তিনি তখন বাড়িতে একাই ছিলেন। আচমকা আক্রমণে বেশ খানিকটা ঘাবড়েও যান। কিন্তু এতগুলো লোকের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেননি। বাড়ির মধ্যে ভাঙচুরের পাশপাশি তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে শ্লীলতাহানির শিকারও হন তিনি। ঘটনার পরই বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে থানায় মারধরের অভিযোগ দায়ের করেন নিগৃহীতা।
[ট্যারান্টুলা মাকড়সার কামড়ে মৃত্যু! হুগলিতে প্রবল আতঙ্ক]
সিঁথি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিগৃহীতার অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৩৫৪, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
The post বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়াকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ, সিঁথিতে চাঞ্চল্য appeared first on Sangbad Pratidin.
