রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। শেখ শাহজাহানের সঙ্গে রাজ্যের নেতা এবং পুলিশের আঁতাঁত রয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে। তারই মাঝে অধিকারী পরিবারের দুই সদস্যকে রাজভবনে আমন্ত্রণ। শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী আমন্ত্রণ রক্ষা করতে রাজভবনেও যাবেন। সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ বলেই দাবি দিব্যেন্দু অধিকারীর। যদিও বিষয়টি সোজাসাপটাভাবে দেখতে নারাজ রাজনৈতিক মহল। আমন্ত্রণের নেপথ্যে নিশ্চয়ই কোনও কারণ রয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনীতিকরা।
গত লোকসভা নির্বাচনে কাঁথি থেকে শিশির অধিকারী এবং তমলুক থেকে দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েন। দুজনেই জয়ী হন। যদিও তৃণমূলের সঙ্গে বর্তমানে তাঁদের সম্পর্ক তেমন ভালো নয়। ঘাসফুল শিবিরের কোনও অনুষ্ঠানেই আর তেমন তাঁদের দেখা যায় না। এমনকী শিশির অধিকারীর মুখে নিজের দলের বিরুদ্ধেও সমালোচনা শোনা গিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীও দলবদল করেছেন। তাঁর পথ ধরে পরবর্তীকালে শান্তিকুঞ্জের আরেক সদস্য সৌমেন্দু অধিকারীও যোগ দিয়েছেন পদ্মশিবিরে। সম্প্রতি একটি দলীয় জনসভা থেকে কাঁথি এবং তমলুকের দুটি লোকসভা কেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথাও দিয়েছেন শুভেন্দু।
[আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় বিলকিস বানোর, ধর্ষকদের ফিরতে হবে জেলেই]
এই পরিস্থিতিতে অধিকারী পরিবারের কাছে রাজভবনের আমন্ত্রণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। দিব্যেন্দু জানান, সোমবার বিকেলে রাজভবনে যাবেন দুজনে। দিব্যেন্দুর দাবি, নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎ। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে অধিকারী পরিবারের দুই সদস্যের রাজভবন অভিযানের নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে উঠছে তুঙ্গে তীব্র চাপানউতোর।
