কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন জেলবন্দি সুজিত বসু। রাজ্যে পালাবদলের পরেই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। আর এই গ্রেপ্তারিকে চ্যালেঞ্জ করে ইডির বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে এই বিষয়ে আইনজীবী মারফৎ মামলা দায়ের করেছেন তিনি। খুব শীঘ্রই বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের এজলাসে এই মামলার শুনানি হতে পারে।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। আর এই গ্রেপ্তারিকে চ্যালেঞ্জ করেই ইডির বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী।
পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির স্ক্যানারে ছিলেন সুজিত বসু। অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থে গত ৬ এপ্রিল, ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে বিধানসভা ভোট পর্বের মধ্যে একাধিকবার ইডির তরফে হাজিরার নোটিস পান প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। তখন নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে সময় চেয়ে হাই কোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচন চলাকালীন ইডির হাজিরা এড়িয়ে ছিলেন তৃণমূল নেতা। তবে ভোট মিটতেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেন তিনি। কয়েক দফায় জেরাও করা হয় সুজিত বসুকে। তল্লাশি চলে তাঁর বাড়ি এবং অফিসেও।
এরপর গত ১১ মে প্রাক্তনমন্ত্রীকে দীর্ঘ জেরা শেষে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন সুজিত বসু। জেলে থাকাকালীনই ইডির গ্রেপ্তারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি হতে পারে বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের এজলাসে। এদিকে তদন্তকারীদের দাবি, দমদম পুরসভায় শতাধিকের বেশি চাকরিপ্রার্থীর নাম বেআইনিভাবে সুপারিশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকাও লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে যদিও আরও নিশ্চিত হতে সুজিত বসুর অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এরমধ্যেই এবার আদালতের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল নেতা।
