পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরলেন সুজিত বসু। ইডি দপ্তর থেকে বেরনোর পর তিনি বলেন, "পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। তাতে আমার নাম নেই। সাক্ষী হিসাবে ডেকে পাঠানো হয়। আমি এসেছি। তদন্তে সহযোগিতা করব। প্রয়োজনে ডাকলে আবার আসব। তবে অযথা হেনস্তা যেন না করা হয়।"
গত ২০২৩ সালের অক্টোবরে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। পরের বছরের শুরুতেই প্রথমবার মন্ত্রী সুজিত বসুর নাম সামনে আসে। তাঁর অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই মামলাতেই ছাব্বিশের ভোট আবহে অ্যাকশনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
ভোটের ব্যস্ততার মাঝে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার তলব করা হয় সুজিত বসুকে। যদিও সেই সময় হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। ছেলে সমুদ্র বসুর হাত দিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাঠিয়ে দেন। আর তারপর গত ২৩ এপ্রিল কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। সুজিত বসুর আইনজীবী আদালতে জানান, “দু’বছর আগে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানে সুজিত বসুর নাম নেই। অথচ সেই মামলায় ভোটের মুখে ২ এপ্রিল থেকে ইডি বারেবারে সমন দিয়ে তলব করেছে। সমন পেয়ে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইডি তাঁর হাজিরা গ্রাহ্য করেনি। ভোট মেটার পর তাঁকে তলবের নির্দেশ দেওয়া হোক। কারণ, তিনি প্রার্থী।” সবদিক খতিয়ে দেখে আদালত সুজিত বসুকে সাময়িক স্বস্তি দেয়। ১মে সশরীরে ইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেয়। সেই মতো শুক্রবার সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে ইডি দপ্তরে যান তিনি। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর ইডি দপ্তর থেকে বেরন।
