ভোট গণনার আগে স্ট্রংরুম সংঘাত। চড়চড়িয়ে বাড়ছে রাজ্য রাজনীতির পারদ। মমতার পর গণনাকেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার সন্ধ্যায় শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী। সেখানে ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু।
৪ মে বাংলায় ভোট গণনা। পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন। ইভিএম বন্দি মানুষের রায়। ভবানীপুর বিধানসভার গণনাকেন্দ্র করা হয়েছে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে। গতকাল রাতে ইভিএম কারচুপি আশঙ্কায় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাত ৮ টা নাগাদ নিজেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার গণনাকেন্দ্রে পৌঁছলেন শুভেন্দু। গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করে তিনি বলেন, "৪ ঘণ্টা কেউ থাকতে পারেন না। এখানকার আধিকারিকরা নিয়ম বহির্ভূত কাজ করেছেন।" পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার আবেদন করেছেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, "আমাদের কাছে নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে। বুলেট প্রুফ গাড়ি রয়েছে। আমাদের কিছু হয় না। নিচুস্তরের কর্মীদের উপর অত্যাচার হয়। মানুষের রায় মেনে নিয়ে হিংসা বন্ধ হওয়া উচিত।" শুভেন্দুর পালটা দিয়ে তৃণমূলের বেলেঘাটার প্রার্থী কুণাল ঘোষ বলেন, "ওঁরা চক্রান্ত করছেন, সেগুলো আটকে যাচ্ছে বলেই গা জ্বলছে।"
শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের টহল। নিজস্ব চিত্র
উল্লেখ্য, ইভিএমে কারচুপি হতে পারে, এই আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিডিও বার্তায় প্রার্থীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাত ৮ টা নাগাদ নিজেই পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পালটা শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে টানা বিক্ষোভ চলে বিজেপির। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর, স্ট্রংরুম থেকে বেরিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে মমতা বলেন, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ওই বিক্ষোভে নাকি উপস্থিত ছিলেন এক গুজরাটি যুবকও। মোবাইলে একটি ভিডিও দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গণনাকেন্দ্রের বাইরের এলাকা ঝগড়ার জায়গা নয়। যে যুবক স্লোগান দিচ্ছেন, চেঁচামেচি করছেন, তিনি তো গুজরাট থেকে এসেছেন। এটা আমার জায়গা। চাইলে আমি ১০ হাজার লোক জড়ো করতে পারি।”
