ভোটের ব্যস্ততার মাঝে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক ইডি তলবে জেরবার তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose)। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সাময়িক স্বস্তি। আপাতত হাজিরা দিতে হবে না তাঁকে। তবে ১ মে সশরীরে সুজিতকে ইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে সুজিতকে।
কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সুজিত বসুর আইনজীবীর দাবি, "দু'বছর আগে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানে সুজিত বসুর নাম নেই। অথচ সেই মামলায় ভোটের মুখে ২ এপ্রিল থেকে ইডি বারেবারে সমন দিয়ে তলব করেছে। ইতিমধ্যে তিনি সমন পেয়ে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইডি তাঁর হাজিরা গ্রাহ্য করেনি। আবার গত বুধবার হাজিরার নোটিস পেয়েছেন সুজিত বসু। আগামী ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার তাঁকে তলব করেছে ইডি। ভোট মেটার পর তাঁকে তলবের নির্দেশ দেওয়া হোক। কারণ, তিনি প্রার্থী।"
মামলাকারীর আইনজীবীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইডির তরফে জানানো হয়, "সুজিত বসুর তরফে এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁকে একাধিকবার তলব করলেও সহযোগিতা করছেন না।" সওয়াল জবাব শুনে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ, একের পর এক সমন পেয়ে তিনি না গেলেও জবাব দিয়েছেন। ভোটে প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১ মে, সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁকে ইডি দপ্তরে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ছেলেকে পাঠাতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবরে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মধ্যমগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। পরের বছরের শুরুতেই প্রথমবার মন্ত্রী সুজিত বসুর নাম সামনে আসে। তাঁর অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই মামলাতেই ছাব্বিশের ভোটের মুখে অ্যাকশনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তাঁরা বারবার তলব করা হচ্ছে। ভোটের সময় এহেন তলব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই দাবি সুজিত বসুর।
