shono
Advertisement

Breaking News

Suvendu Adhikari

জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে ৩০ মে থেকে বাংলায় বিনামূল্যে টিকাকরণ, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

কেন্দ্রের তরফ থেকে বাংলায় ৭ লক্ষ ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। বিধানননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু হবে এই টিকাকরণ কর্মসূচি।
Published By: Sayani SenPosted: 01:48 PM May 23, 2026Updated: 02:20 PM May 23, 2026

জরায়ুমুখ ক্যানসারে ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তা প্রতিরোধে উদ্যোগী কেন্দ্র। তারই অংশ হিসাবে এবার বাংলায় শুরু হতে চলেছে বিনামূল্যে টিকাকরণ কর্মসূচি। আগামী ৩০ মে শুরু হবে সেই কর্মসূচি। শনিবার স্বাস্থ্য বৈঠকের পর একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, কেন্দ্রের তরফ থেকে বাংলায় ৭ লক্ষ ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। বিধানননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু হবে এই টিকাকরণ কর্মসূচি। ১৪-১৫ বছরের ঊর্ধ্বে যেকোনও কিশোরী টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারে।

Advertisement

এছাড়া এদিন শুভেন্দু জানান, সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে জনৌষধি কেন্দ্র বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলায় ১১৭টি রয়েছে। তা বাড়িয়ে ৪৬৯টি করা হবে। দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে ওষুধে ৫০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। এছাড়া ন্যাশনাল হেলথ মিশনে ২ হাজার ১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়া গিয়েছে শনিবার।

প্রসঙ্গত, মহিলাদের যে যে ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি তার মধ্যে একটি অন্যতম সার্ভাইক্যাল ক্যানসার।সারা বিশ্বে প্রতি বছর নতুন করে সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ। আর প্রতি বছর ক্যানসারে মৃত্যুহার প্রায় ৩.৪ লাখ। এটি মহিলাদের মধ্যে চতুর্থতম ক্যানসার। আর এদেশের নিরিখে, এটি মহিলাদের মধ্যে দ্বিতীয়তম ক্যানসার। এদেশে প্রতি একলাখে ১৪ জন করে নতুন সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের রোগী প্রতিবছর চিকিৎসা করাতে আসেন, আর মৃত্যুহার লাখে ৯ জন। এদেশের জনসংখ্যার নিরিখে সংখ্যাটা নেহাতই কম নয়। এই ক্যানসার প্রতিহত করতে টিকাকরণের উপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থাৎ সময়ে টিকা নিয়ে নিলে ক্যানসার প্রায় ৭৫-৮০ শতাংশ প্রতিহত করা সম্ভব।

সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের জন্য মূলত দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। এই ভাইরাসের অনেক ধরন রয়েছে। সাধারণত যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে ও ক্যানসার ডেকে আনে। মূলত যাদের একধিক যৌনসঙ্গী তাদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি। এছাড়াও ওবেসিটি বা অতিরিক্ত মেদ, ধূমপান ও মদ্যপান করার প্রবণতাও এই ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়। মূলত এই ক্যানসার নির্ণয় হয় অনেক দেরিতে, তখন হয়তো চিকিৎসা করেও ক্যানসার নির্মূল করা যায় না।

এদেশে তথা এ রাজ্যে মহিলাদের মধ্যে অনেক বেশি মাত্রায় এই ধরনের সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অনেকেই লোকলজ্জায় খোলসা করে যৌনাঙ্গের কোনও সমস্যার কথা পরিবারের কাউকে এমনকী পার্টনারকেও বলতে পারেন না। এড়িয়ে যেতে যেতে বিপদ বাড়ায়, ক্যানসার দেরিতে ধরা পড়ে। তাই অতিরিক্ত সাদাস্রাব, মাসিকের পরও রক্তপাত, মেনোপজ হয়ে যাওয়ার পরও রক্তক্ষরণ এবং কোমরে ব্যথা হলে সাবধান হওয়া প্রয়োজন বলেই দাবি চিকিৎসকদের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement