মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বিধানসভায় এসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক জানিয়েছেন, 'আমরা স্বাধীনতা ফিরে পেলাম।' বুধবার প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের কাছে শপথ নিতে এসেছিলেন মালদহ-মুর্শিদাবাদ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধায়ক। আর সেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে এবং পরে বহু তৃণমূল বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে শুভেন্দুকে সরাসরি অভিনন্দন জানান বলে খবর। শুধু তাই নয়, বেশ কিছুক্ষণ তাঁরা কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। আর সেই সময় এহেন মন্তব্য বিধায়করা করেছেন বলে খবর।
জানা গিয়েছে, হরিহরপাড়ার নিয়ামত শেখ, সুতির ইমানি বিশ্বাস, রঘুনাথগঞ্জের আখরুজ্জামানের মতো তৃণমূল বিধায়করা দলবেঁধে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ''তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আমাকে বলেছেন, আমরা স্বাধীনতা পেলাম।" এরপরই মুখ্যমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, "দীর্ঘদিনের এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে এখন এক মুক্ত বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এখন থেকে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হবে এই নতুন প্রশাসনের প্রধান কাজ।" তবে এদিন তৃণমূল বিধায়কদের দলবেঁধে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা এবং শুভেন্দুর 'স্বাধীনতা ফিরে' পাওয়ার দাবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন চর্চা শুরু হয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু জানান, ''তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আমাকে বলেছেন, আমরা স্বাধীনতা পেলাম।" এরপরই মুখ্যমন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, "দীর্ঘদিনের এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে এখন এক মুক্ত বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এখন থেকে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হবে এই নতুন প্রশাসনের প্রধান কাজ।"
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি আরও চমক ছিল, দমদম উত্তরের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্যর সৌজন্য সাক্ষাৎ ঘিরে। শুধু তাই নয়, 'শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছরের বন্ধুত্ব, ভোটের আগেও নিয়মিত কথা হতো'-বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করে এদিন রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন সিপিআই(এম) নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য। বলেন, "বিধানসভায় এসেছিলাম ট্রেনের টিকিট কাটতে। এসে পুরানো সহকর্মী শঙ্করের কাছ থেকে শুনলাম, 'দাদা ঘরে আছে, একবার দেখা করে যাও। তাই দেখা করতে যাচ্ছি।"
যদিও তন্ময় বলেন, "ব্যক্তিগত স্তরে কথা হলেও ভোটের ময়দানে তিনি শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই প্রচার করেছেন।" দলবদলের প্রসঙ্গ উঠলে দমদম উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, "রাজনীতিতে দলবদল চিরকালই ছিল; কেউ করেন, কেউ করেন না।" এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে সাবলীলভাবে ঢুকে যান তন্ময়। এদিন মুর্শিদাবাদের মিষ্টি মনোহরা সঙ্গে নিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ন কবীরও।
