রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের বিস্ফোরক বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “হিংসাকে আটকানোর জন্য হিংসারই দরকার আছে। গুলির সামনে মিষ্টি কথা চলে না।” রাজ্যের শাসকদলের নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে এর আগেও একাধিকবার বিতর্কিত মন্তব্য করে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিলেন দিলীপবাবু। এদিনও তাঁর মন্তব্য নিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় বেসরকারি টিভি চ্যানেলে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি থেকে সম্প্রতি রাম নবমীতে অস্ত্র হাতে মিছিল–এসব নিয়েই খোলামেলা বলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, হিংসার মধ্যে পঞ্চায়েত ভোট হতে যাচ্ছে। সরকার চাইছে না বিরোধীরা ভোটে অংশ নিক। তিনি দাবি করেন, ভোট কারও কেনা নয়। বিজেপি এখন ৩০ শতাংশ ভোট পাচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির দিকে প্লাবন আসবে।
[জোটের পথ খুলে মহেশতলায় বামেদের প্রার্থী ঘোষণা]
এ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি দু’ছর আগে থেকেই বিজেপি শুরু করে দিয়েছে বলে জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, লোকসভায় বাংলা থেকে মোট ২১টি আসনকে টার্গেট করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ আসন, কলকাতায়, মেদিনীপুর, বাঁকুড়ায় দল আসন পাবে বলে তাঁর দাবি। পঞ্চায়েত ভোটে নিরাপত্তার বিষয়টি যতক্ষণ না সুনিশ্চিত করা হবে ততক্ষণ লড়াই চলবে বলে জানান তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ভোটার ও ভোটকর্মীরা যে সুস্থভাবে বুথ থেকে ফিরতে পারবেন সেই আশ্বাস কোথায়। কেন্দ্রীয় সরকার বাহিনী পাঠাতে চেয়েছিল তারপরও রাজ্যের অনীহা কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিতে।
[শৌচাগারের জলে তৈরি হচ্ছে রেলের চা! ভিডিও দেখলে গা গুলিয়ে উঠবে]
রাম নবমীতে অস্ত্র মিছিলের পক্ষে এদিনও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সওয়াল করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, অন্য দলের নেতারাও অস্ত্র নিয়ে মিছিল করেন। রামকে যারা অস্বীকার করবে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এদিকে, মঙ্গল ও বুধবার দু’দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন দিলীপবাবু। উস্তি, মথুরাপুর, পাথরপ্রতিমা, কুলপিতে প্রকাশ্যসভা ও সাংগঠনিক বৈঠক করেন তিনি। ছিলেন দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস। সেখানে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে আট থেকে ১০টি জেলা পরিষদ পেতে পারে বিজেপি।
The post হিংসাকে আটকাতে হিংসারই দরকার, ফের বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ appeared first on Sangbad Pratidin.
