shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

কমছে দেওয়াল, ভোটারদের কাছে পৌঁছতে বাড়ছে ডিজিটাল প্রচার, পকেটে পকেটে ঘুরছেন প্রার্থীরা!

ঘরের মা-কাকিমারা যতই বলুক, "রাজনীতির কিছু বুঝি না।" বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বলার দিন শেষ। প্রার্থী এখন ঘুরছেন মোবাইলে। পকেটে পকেটে। ডান পকেটে কুণাল ঘোষ। বাঁ পকেটে দিলীপ ঘোষ।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:06 PM Apr 04, 2026Updated: 04:24 PM Apr 04, 2026

কমছে দেওয়াল। বাড়ছে ই-ওয়াল! জিরাফের গলার মতো উঁচু উঁচু ফ্ল্যাটের দেওয়ালে ভোট প্রচারে মানা। লেখা 'বিজ্ঞাপন মারিবেন না।' সে চিন্তা নেই সমাজমাধ্যমে। মোবাইল খুললেই, "যে লড়ছে সবার ডাকে সেই জেতাবে বাংলা মাকে।" কোথাও স্ক্রল করতে গিয়েই চোখ আটকে যাচ্ছে, "এবার বিজেপি।” কিংবা "লাল পতাকা দিচ্ছে ডাক।"

Advertisement

ডিজিটালে প্রচারে কোমর বেঁধেছে ডান-বাম সকলেই। মিনি স্ক্রিনে প্রচারে হিড়িকের নেপথ্যে জবরদস্ত সমীক্ষা। মোবাইলে সোশাল মিডিয়াতে নাকি দিনে ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটায় বাঙালি। সে সুযোগ ছাড়তে নারাজ তৃণমূল-সিপিআইএম-বিজেপি-কংগ্রেস। পাড়ায় আসা-যাওয়ার পথে দেওয়ালে নজর পড়ুক না পড়ুক, ফেসবুক স্কুল করতে গেলেই হাতছানি দিচ্ছে হাসিমুখ প্রার্থী। না চেয়েও তা দেখে ফেলছে উনিশ থেকে উননব্বই। ঘরের মা-কাকিমারা যতই বলুক, "রাজনীতির কিছু বুঝি না।" বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বলার দিন শেষ। প্রার্থী এখন ঘুরছেন মোবাইলে। পকেটে পকেটে। ডান পকেটে কুণাল ঘোষ। বাঁ পকেটে দিলীপ ঘোষ।

ডিজিটালে প্রচারে কোমর বেঁধেছে ডান-বাম সকলেই। মিনি স্ক্রিনে প্রচারে হিড়িকের নেপথ্যে জবরদস্ত সমীক্ষা। মোবাইলে সোশাল মিডিয়াতে নাকি দিনে ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় কাটায় বাঙালি। সে সুযোগ ছাড়তে নারাজ তৃণমূল-সিপিআইএম-বিজেপি-কংগ্রেস।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি দেবাংশু ভট্টাচার্য সামলান দলের ডিজিটাল ক্ষেত্র। তিনি এবার বিধানসভায় তৃণমূলের চুঁচুড়ার প্রার্থী। ই-প্রচারের ঊর্ধ্বমুখী চাহিদার কথা বলতে গিয়ে দেবাংশুর ব্যাখ্যা, "একসময় ডিজিটালের দর্শক বলতে সবাই বুঝত জেন-জি। ওই যাদের জন্ম দু'হাজার সালের আশপাশে। এখন কিন্তু বাড়ির মা-কাকিমা-বাবা-কাকা সবাই মজে মোবাইলে। সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন। রয়েছে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। স্বাভাবিকভাবেই ডিজিটাল নির্ভরতা বেড়েছে।" অন্যদিকে বিজেপির সোশাল মিডিয়া ইনচার্জ সপ্তর্ষি চৌধুরি জানিয়েছেন, ডিজিটাল প্রচারে হাতেনাতে মেলে ফল। দেওয়াল কতজন পড়ল তা জানা যায় না। কিন্তু দলের একটা পোস্ট পাঁচ হাজার লোক লাইক করলে তা প্রামাণ্য নথি চোখের সামনে। এসএফআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্যর কাছে আবার ডিজিটাল প্রচার ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাওয়ার সেতু। সেইমতোই প্রচারের স্টাইলও ঠিক করে সিপিআইএম। সৃজনের কথায়, ডিজিটাল প্রচারেও আমাদের মৌলিক বিষয় গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। সবার জন্যেই তাই? সৃজনের দাবি, "ডোমকলের প্রার্থীর জন্য আমরা যে ডিজিটাল প্রচার সাজাব যাদবপুরের প্রার্থীর জন্য তা সাজাব না। পলিটিকাল ভাষ্য কেন্দ্র অনুযায়ী বদলাবেই।" উনিশ-কুড়ি বছরের জন্য সিপিএম সামনে আনছে কর্মসংস্থান ইস্যুকে।

দেবাংশু ভট্টাচার্যর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী একশোটার উপর সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প। তারই সুফল তুলে ধরছি ডিজিটালে। বিজেপিতো "একবার আমাদের দিয়েই দেখুন।" দেবাংশুর কথায়, "যে রাজ্যগুলোতে বিজেপি ক্ষমতায় আছে তাদের অবস্থা ফেসবুকে তুলে দিচ্ছি। জনতা এমনিই বুঝে যাচ্ছে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement