সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এর মধ্যেই জোরকদমে বঙ্গে চলছে এসআইআর সংক্রান্ত কাজ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যেই পুলিশের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এই মর্মে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রদপ্তরকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পুলিশের বদলি এবং পোস্টিং সংক্রান্ত কাজ সেরে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রিপোর্ট পাঠাতেও বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আজ মঙ্গলবারই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। ইতিমধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে এক দফায় বাংলায় ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছে সিইও দপ্তর। জানা গিয়েছে, তা নিয়েই এদিন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে মনোজ আগরওয়ালের আলোচনা হতে পারে।
এদিকে আজ মঙ্গলবারই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। ইতিমধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে এক দফায় বাংলায় ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছে সিইও দপ্তর। জানা গিয়েছে, তা নিয়েই এদিন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে মনোজ আগরওয়ালের আলোচনা হতে পারে।
উল্লেখ্য, সোমবার সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর (West Bengal SIR) সংক্রান্ত শুনানির সময়সীমা আরও সাত দিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে কার্যত অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে। কোনওভাবেই আগামী ২৮ তারিখের আগে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ সম্ভব নয় বলে মনে করছে মুখ্য রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির কাজ শেষ না হওয়ায় ৭ দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন সিইও। সেই মতো ১৪ তারিখ শুনানি শেষ করে ২১ তারিখ তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত শুনানির দিন আরও সাতদিন পিছিয়ে দেওয়ায় তালিকা প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট করাতে গেলে একদফা বেশি ভোট গ্রহণ সম্ভব নয় বলে মনে করছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের দিল্লি সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এর মধ্যেই নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা পুলিশের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে বলে স্বরাষ্ট্রসচিবকে চিঠি দিল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। সিইও দফতরের তরফ থেকে অ্যাডিশনাল চিফ ইলেকট্রোরাল অফিসার এই চিঠি দিয়েছেন। যেখানে স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশে বলা হয়েছে, পুলিশের যে সমস্ত পদে বদলির প্রক্রিয়া রয়েছে, কিংবা অবশিষ্ট রয়েছে তা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে যে ট্রান্সফারগুলি হয়ে থাকে, সেই ট্রান্সফার এবং পোস্টিং সম্পূর্ণ করে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এই বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরকেও রিপোর্ট দিতে হবে বলেও স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
