shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

বাইকে পেছনে বসানো যাবে না, বাঁধা হল চালানোর সময়! ভোটবঙ্গে কড়া কমিশন

কমিশনের যুক্তি, ভোটের সময় বাইক বাহিনীর দাপট এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এহেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 12:42 PM Apr 21, 2026Updated: 06:37 PM Apr 21, 2026

আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। এবার একধাপ বাড়িয়ে রাজ্যে বাইক চলাচলের উপরেও 'কোপ' নির্বাচন কমিশনের। ভোটের দু'দিন আগে থেকেই মোটরবাইক চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হল। কমিশনের এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরেই ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই কটাক্ষ করে বলছেন, এরপর কি সাইকেল চালানোতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে! যদিও এক্ষেত্রে কমিশনের যুক্তি, ভোটের সময় বাইক বাহিনীর দাপট এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এহেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটের (West Bengal Assembly Election) দু'দিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় নিষিদ্ধ হচ্ছে বাইক র‍্যালি বা মোটরসাইকেল মিছিল। এমনকী সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে মোটরবাইক চালানোও। যদিও এক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা কিংবা পরিবারের প্রয়োজনে বাইক চালানোর উপর রয়েছে ছাড়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটের দু'দিন আগে থেকেই স্পর্শকাতর এলাকায় নিষিদ্ধ হচ্ছে বাইক র‍্যালি বা মোটরসাইকেল মিছিল। এমনকী সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে মোটরবাইক চালানো। যদিও এক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা কিংবা পরিবারের প্রয়োজনে বাইক চালানোর উপর রয়েছে ছাড়।

শুধু তাই নয়, বাইকে আরোহী বসানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা নির্বাচন কমিশনের। ভোটের দু'দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কোনও আরোহীকে বসানো যাবে না বলে নিষেধাজ্ঞায় জানানো হয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও রয়েছে কমিশনের ছাড়। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল পড়ুয়াকে পৌঁছে দেওয়া, চিকিৎসার প্রয়োজনে কিংবা পারিবারিক দরকারে এই নিয়মে রয়েছে ছাড়। 

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি।

বাইকে আরোহী বসানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা নির্বাচন কমিশনের। ভোটের দু'দিন আগে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কোনও আরোহীকে বসানো যাবে না বলে নিষেধাজ্ঞায় জানানো হয়েছে।

এর বাইরে কোনও প্রয়োজনে ছাড় নিতে হলে, সংশ্লিষ্ট থানার থেকে লিখিত অনুমতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিতে হবে বলে স্পষ্ট বার্তা কমিশনের। শুধু তাই নয়, এই নিয়ম যাতে কড়াভাবে পালন করা হয় সেজন্য জেলা প্রশাসন এবং পুলিশকে তা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ কমিশনের। আর এই নির্দেশ ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কড়া ভাষায় কমিশনকে আক্রমন শানিয়েছেন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা। তাঁর কথায়, বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় সাধারণ জনগণের উপর প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে ডেলিভারি এজেন্সির সঙ্গে যুক্তরা বিশেষভাবে প্রভাবিত হবে বলেও শশী পাঁজার। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই সব না করে  বিজেপির বাইক ব়্যালির নিষিদ্ধ করতে পারত। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement