দফায় দফায় উত্তপ্ত ভবানীপুর। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভিন রাজ্য থেকে আসা পুলিশ পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এহেন অভিযোগের পালটা মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি বলেন, ''অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট (West Bengal Election 2026 2nd Phase) করাতে পুলিশ যেটা মনে করেছে, সেটাই করেছে।''
দ্বিতীয় দফায় সকাল থেকে ৭ জেলায় ১৪২টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে। বেলা গড়াতেই বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসতে শুরু করে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে 'হাইভোল্টেজ' ভবানীপুরও। যদিও ভোটের আগে রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার সকালে সরজমিনে ভোট পরিদর্শনে বের হন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের (পড়ুন -অসীম বসু) বাড়িতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালিয়েছে।' যদিও সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না তৃণমূল কাউন্সিলার। শুধু তাই নয়, ভোটারদের কেন্দ্রীয়বাহিনী প্রভাবিত করছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
এই প্রসঙ্গে মনোজ আগরওয়াল বলেন, ''আমরা বলতে পারব না পুলিশ কী করছে। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা পুলিশের কাজ। অশান্তি রুখতে কোথায় যেতে হবে তাও পুলিশ জানে।'' সিইও'র কথায়, নিশ্চিয় পুলিশের কাছে ইনপুট ছিল। সেই কারণেই কেন্দ্রীয়বাহিনী গিয়েছিল। অবাধ এবং সুষ্ঠ ভোট করানোর দায়িত্ব রয়েছে পুলিশের।
উল্লেখ্য, এদিন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এক বিবৃতিতে মমতা বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন খোলামেলাভাবে আমাদের উপর অত্যাচার করছে। বাইরে থেকে এতজন পুলিশকে নিয়ে এসেছে আর তাঁরা সবাই বিজেপির সুরে নাচছে। কিছু করছে না, শুধু মানুষকে গিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে দেখলাম, আমাদের দলের পোস্টার ছিড়ে ফেলা হয়েছে। এভাবে কি ভোট হয়? পুলিশ, বাহিনী নয়, ভোটটা (West Bengal Election 2026 2nd Phase) তো দিচ্ছে মানুষ। মানুষের রায়েই তাঁদের খুব দ্রুত বাংলা ছাড়তে হবে।”
