shono
Advertisement

অস্ত্র মিছিল ‘বেআইনি’, বিজেপি-সংঘকে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

গোলমাল পাকাতে মন্দিরে মাংস ফেলে যায় বিজেপি সমর্থকরা, জানালেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
Posted: 04:05 PM Sep 16, 2017Updated: 10:35 AM Sep 16, 2017

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহরমের শোভাযাত্রা ও দুর্গাপুজোর বিসর্জন বিতর্কে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে মুম্বইয়ের সঙ্গে বাংলার যে তুলনা চলছে তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিসর্জন নিয়ে মিথ্যা প্রচার চলছে। একাদশীর দিন কোথাও বিসর্জন দেওয়া হয় না। অপপ্রচার চলছে বাংলার পুলিশের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি অস্ত্র মিছিল নিয়েও তাঁর হুঁশিয়ারি, এধরনের কিছু হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

[চেতলার কাঠের দুর্গা প্রতিমা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক]

এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় ছিল বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলের নাম না করে তাঁর অভিযোগ, কথায় কথায় অস্ত্র মিছিলের কথা বলা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অস্ত্র নিয়ে মিছিল বেআইনি। প্রশাসন এধরনের কোনও অনুমতি দেবে না। কঠোরভাবে এর মোকাবিলা করা হবে। বিসর্জন নিয়ে কেন এত বিতর্ক হচ্ছে তা বুঝতে পারছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, মহরম ও দুর্গাপুজোর বিসর্জনের মাঝে একটু সময় নেওয়া হয়েছিল। কারণ পুলিশের সুবিধা হয়। এটা তোষণের কোনও বিষয় নয়। এই নিয়ে রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। নিরঞ্জন নির্দেশিকার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখ্যা একাদশীর দিন কোথাও বিসর্জন দেওয়া হয় না। ৩০ সেপ্টম্বর অর্থাৎ, বিজয়া দশমীর দিন বিসর্জনের সময় বাড়িয়েছে সরকার। ২, ৩ এবং ৪ অক্টোবর বিসর্জন দেওয়া যাবে। কেন একটা দিনের এত কথা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ বাংলার পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চলছে।

[দশমীর দিন বিসর্জনের সময় বাড়াল রাজ্য]

উৎসবের মরসুমে রাজনৈতিক দলগুলিকেও তিনি বার্তা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন, এই সময় মিটিং-মিছিল না করে নিজেদের দায়িত্ব পালন করুক দলগুলি। পুজোর সময় যাতে অশান্তি না হয় তার জন্য ক্লাব এবং বিভিন্ন সংগঠনগুলির কাছে মুখ্যমন্ত্রী আবেদন জানান। রাজ্যে বিজেপি যে দাঙ্গায় মদত দিচ্ছে তার প্রমাণও এদিন দিয়েছে প্রশাসন। রাজ্য পুলিশের ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ জানান একটি মন্দিরের মধ্যে শুয়োর ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় কয়েকজন গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তরা বিজেপি সমর্থক। তারা নিজেদের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারির সুরে জানান আরএসএস, ভিএইচপি, বজরং দল বাংলার শান্তি কাড়তে পারবে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার