shono
Advertisement

Breaking News

Humayun Kabir

বিজেপির সঙ্গে 'ডিল' প্রকাশ্যে আসতেই বিরাট ধাক্কা, হুমায়ুনের হাত ছাড়ল ওয়েইসির মিম

ওয়েইসি হাত ছাড়ায় রাজনৈতিকভাবে আরও একঘরে হয়ে গেলেন হুমায়ুন। শুরুতে হুমায়ুন এক তরফা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফকে জোটে নেবেন। পরে দেখা যায় মূল ধারার কোনও দলই তাঁর সঙ্গে জোটে রাজি নয়।
Published By: Subhajit MandalPosted: 08:28 AM Apr 10, 2026Updated: 08:28 AM Apr 10, 2026

বিজেপির সঙ্গে ১০০০ কোটির 'ডিল সংক্রান্ত ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক ভাবে একা হয়ে গেলেন হুমায়ুন কবীর। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে জোট ভাঙল আসাদউদ্দিন ওয়েইসির এআইএমআইএম। বিজেপির সঙ্গে হুমায়ুনের আঁতাতের ভাইরাল ভিডিও সামনে আসার পর শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল মিম।

Advertisement

এদিন সকাল সকাল মিমের পক্ষ থেকে সোশাল মিডিয়ায় জোট ভাঙার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। মিমের বক্তব্য, "বাংলার মুসলিমরা দেশের মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্র, অবহেলিত এবং নিপীড়িত। কয়েক দশক ধরে ধর্মনিরপেক্ষ শাসনে থাকা সত্ত্বেও তাদের জন্য কেউ কিছু করেনি। কোন উন্নয়ন হয়নি। যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে এআইএমআইএমের নীতি হল, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন একটি স্বাধীন রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর পায়। কিন্তু সেখানে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি যেরকম আবেগ নিয়ে খেলেছে মুসলমানদের বোকা বানাতে চেয়েছে, হুমায়ুন কবিরের এরকম বক্তব্যকে সমর্থন করেনা মিম।"

মিমের তরফে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে, এবারের নির্বাচনে তাঁরা বাংলায় একলা এবং স্বাধীনভাবে লড়বে। আগামী দিনেও যে একলা লড়াই করাই তাঁদের মন্ত্র হতে চলেছে সে ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন ওয়েইসি। আসলে ওয়েইসির দলের উপর এমনিই বিজেপির বি টিম তকমা লেগে রয়েছে। তার উপর আবার বিজেপির সঙ্গে আঁতাঁত নিজের মুখে (ভাইরাল ভিডিও-তে তেমনই দেখা যাচ্ছে) স্বীকার করা হুমায়ুনের সংস্রবে থাকলে গোটা দেশেই রাজনৈতিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন ওয়েইসি। আসলে হুমায়ুন যতই বলুন ওই স্টিং ভিডিও ফেক, এআই দিয়ে বানানো, সেটা যে বিশেষ বিশ্বাসযোগ্য নয়, তা মিমের বক্তব্যেই স্পষ্ট।

ওয়েইসি হাত ছাড়ায় রাজনৈতিকভাবে আরও একঘরে হয়ে গেলেন হুমায়ুন। এমনিই রাজ্যে কত আসনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি লড়বে, কাদের সঙ্গে জোট করবে, এসব নিয়েও বহু বিতর্ক হয়েছে। শুরুতে হুমায়ুন এক তরফা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফকে জোটে নেবেন। কার জন্য কটা আসন ছাড়বেন সেটাও ঘোষণা করেন। যদিও পরে দেখা যায় মূল ধারার কোনও দলই তাঁর সঙ্গে জোটে রাজি নয়। শেষে AIMIM-এর সঙ্গে সমঝোতা করে ভোটে নামে হুমায়ুনের দল। দু’টি দল মিলে রাজ্যের ২০০টির বেশি কেন্দ্রে প্রার্থীও দিয়েছে। ইতিমধ্যেই একদফা যৌথ প্রচারও করেছেন। মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেছিলেন মিম প্রধান এবং তিনি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একসঙ্গে কুড়িটি নির্বাচনী জনসভা করবেন। শুক্রবারও যৌথ জনসভা করার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু সেসব এখন অথৈ জলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement