ভোটগণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে রাজ্যের বেশ কয়েকটি আসনে এগিয়ে যেতেই গেরুয়া শিবির বিজয়োল্লাস শুরু করেছে। কিন্তু ফলপ্রকাশের পর আজ কি আদৌ বিজয় মিছিল করতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি? তা নিয়ে সোমবার নতুন করে নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানালেন, বিজয় মিছিল নিয়ে আলাদা করে কমিশনের কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আজ এধরনের কোনও উদযাপন না করাই ভালো বলে মনে করছে কমিশনের কর্তারা। যদি বা কেউ বিজয় মিছিল করতে চায়, তাহলে আগাম কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।
সোমবার সকালে ভোটগণনার শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর যেখানেই বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে গিয়েছেন, সেখানে প্রায় বিজয় মিছিল শুরু করে দিয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। অথচ আগে এনিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, গণনার দিন কোনও উৎসব করা যাবে না। তা সত্ত্বেও বিজেপির জয়োল্লাস নিয়ে এদিন সিইও মনোজ আগরওয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু শৃঙ্খলা বজায়ের স্বার্থে এদিন আনন্দ উদযাপন না করার পরামর্শ দিচ্ছে কমিশন। অবশ্য তা করতে চাইলে কমিশনের আগাম অনুমতি প্রয়োজন, অন্যথায় তা করা যাবে না।
সোমবার সকালে ভোটগণনার (West Bengal Election 2026) শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর যেখানেই বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে গিয়েছেন, সেখানে প্রায় বিজয় মিছিল শুরু করে দিয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। অথচ আগে এনিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, গণনার দিন কোনও উৎসব করা যাবে না। তা সত্ত্বেও বিজেপির জয়োল্লাস নিয়ে এদিন সিইও মনোজ আগরওয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু শৃঙ্খলা বজায়ের স্বার্থে এদিন আনন্দ উদযাপন না করার পরামর্শ দিচ্ছে কমিশন। অবশ্য তা করতে চাইলে কমিশনের আগাম অনুমতি প্রয়োজন, অন্যথায় তা করা যাবে না।
গণনার প্রথম কয়েক রাউন্ডে এগোতেই বিজেপির বিজয়োল্লাস। ছবি: রতন দে
এদিন মনোজ আগরওয়াল গোটা ভোটপর্বে প্রত্যেক সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ধন্যবাদ জানালেন। তাঁর কথায়, ‘‘কমিশনের অনেক কিছু নির্দেশ ছিল। তা আমরাও সবাইকে জানিয়েছিলাম। জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে ভোটপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সব বিএলএ, বিএলও - সবাই তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। আমরা খুব সাহায্য পেয়েছি। বাংলায় ভালোভাবে ভোটপর্ব মিটেছে। রেকর্ড গড়ে ৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকলকে ধন্যবাদ।'' তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের পরেও থাকবে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে।
