বৃহস্পতিবার ভোটবঙ্গে প্রথম দফা। উত্তরবঙ্গ-সহ ১৫২টি আসনে ভোট (West Bengal Assembly Election) রয়েছে। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এবার নজিরবিহীন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। মোতায়েন হচ্ছে ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরে।
কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব মেদিনীপুরে মোতায়েন করা হয়েছে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর। এই জেলায় মোট ২৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এরপরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোতায়েন হয়েছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাঁকুড়ায় মোতায়েন হচ্ছে ১৯৩ কোম্পানি, বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি, মালদহে ১৭২ কোম্পানি, পুরুলিয়া ১৫১ কোম্পানি, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি, পুরুলিয়া ১৫১ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি মোতায়েন হচ্ছে।
বাকি জেলাগুলির ক্ষেত্রে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ১০০ র কম। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, জলপাইগুড়ি ৯২ কোম্পানি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকছে বলে কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
কমিশনের দেওয়া তালিকা।
অন্যদিকে সন্ত্রাস মুক্ত ভোট (West Bengal Assembly Election) করানোর অজুহাত দেখিয়ে প্রথম দফা ভোটের তিন দিন আগে থানার দখল অলিখিত আধা সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। থানার দায়িত্বে বসানো হয়েছে বাহিনীর কমাডেন্টদের! এলাকায় কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিশের অনুমতি না নিয়েই ব্যবস্থা নিতে পারবে বাহিনী, এমনটাই খবর। কিন্তু এক্ষেত্রে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের ফল ভুগতে হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, অনেকেই অলিখিত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।
