রাজ্যে ফের তৃণমূল কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে, প্রয়োজনে সমর্থন করবে কংগ্রেস, পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক গুলাম আহমেদ মীরের এই মন্তব্যকে 'ফালতু কথা' বলে উড়িয়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, গুলাম আহমেদ মীর বাংলার নেতা নন। তাই তাঁর মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চাননি অধীর।
যদিও মীরের এই মন্তব্য নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বঙ্গের কংগ্রেস নেতারা মীরের এই মন্তব্যকে খারিজ করে দিয়েছেন। অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury) এবিষয়ে বলেন, "ফালতু কথা বলেছেন। এটা বাংলার কংগ্রেস কর্মীদের কথা নয়। কে কোথা থেকে কী বলছেন তার দায়িত্ব আমার নয়। আমরা এসব ফালতু কথার ধার ধারি না, জবাবও দিই না।"
অধীর আরও বলেন, "আমাদের ঠকতে হয় কারণ আমাদের এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয় না। বুথে এজেন্ট বসে থাকলে তৃণমূলের লোকজন বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে ভয় দেখান। তৃণমূলের থেকে লুটপাট কে বেশি জানে তা আমার জানা নেই। তৃণমূলের থেকে বেশি লুটপাট, ছ্যাচরামি আর কে করতে পারে?"
৪ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তার আগে গুলাম আহমেদ মীরের মন্তব্য ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গণনার দুদিন আগে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসবে তৃণমূলই। বিজেপি নেতাকর্মীদের বাড়ির মহিলারাও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন। প্রয়োজন পড়লে সরকার গঠন করতে কংগ্রেস তৃণমূলকে সমর্থনও করতে পারে বলে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
মীর আরও দাবি করেন, বাংলার ভোট (Bengal Election 2026) নিয়ে এক্সিট পোল যা দেখাচ্ছে, তার উলটো ফল হবে। রাজ্যের মহিলাদের হাতে সরাসরি যে আর্থিক সুবিধা দিয়েছে রাজ্য সরকার, তার সুফল তৃণমূলের পক্ষেই পড়বে বলে মনে করছেন মীর। তাঁর কথায়, "মনে রাখতে হবে রাজ্যে মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ মহিলা, যাঁদের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ ভোট তৃণমূল পাবে। আমাদের বিশ্বাস বিজেপির ঘরের মহিলারাও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে।”
