রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ। অথচ মাঝেমধ্যেই পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে 'বিদ্রোহ' করে দলকে বিব্রত করেন। আবার রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণের মঞ্চেও তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। ভোটমুখী কোচবিহারে সেই অনন্ত মহারাজকে নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রবিবার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে কোচবিহারে জনসভা করবেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সভায় কি আদৌও থাকবেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ? শুক্রবার রাতে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাক্ষাতে স্বাভাবিকভাবেই তুঙ্গে জল্পনা।
'বিদ্রোহী' বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের বাড়িতে দুই কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং ভূপেন্দ্র যাদব। তাঁদের সাক্ষাতের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের অঙ্কের কথা মাথায় রেখে কি গ্রেটার নেতার 'মান ভাঙাতে' তৎপর পদ্মশিবির?
ভোটের মুখে এবার সেই 'বিদ্রোহী' বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের বাড়িতে দুই কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং ভূপেন্দ্র যাদব। তাঁদের সাক্ষাতের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের অঙ্কের কথা মাথায় রেখে কি গ্রেটার নেতার 'মান ভাঙাতে' তৎপর পদ্মশিবির? যদিও কী হয়েছে তাঁদের, তা নিয়ে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। এমনকি অনন্ত মহারাজও কোনও মন্তব্য করেননি। আগামিকাল মোদির সভায় কি দেখা যাবে অনন্ত মহারাজকে, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেন, "অনন্ত মহারাজ বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ। প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।"
সাম্প্রতিক সময়ে বারবার অনন্ত মহারাজের বিদ্রোহী মনোভাব সমস্যার মুখে ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এসআইআর প্রসঙ্গে অনন্ত মহারাজের বক্তব্যে অস্বস্তি বেড়েছিল পদ্মশিবিরের। আবার বিজেপির সঙ্গে মতবিরোধের মাঝে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে বঙ্গবিভূষণ সম্মান গ্রহণ। তাতে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে। এমনকি অনন্ত মহারাজের 'বিদ্রোহী' মনোভাবের মাঝে অনন্ত বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত বংশীবদন বর্মনের সঙ্গে বিজেপির ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। সেটা অনন্ত মহারাজ ভালোভাবে নেননি তা কার্যত তিনি বিজেপি নেতৃত্বের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে একদিকে বংশীবদন বর্মনকে রেখে অপরদিকে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা যায় কিনা, সেদিকেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঝুঁকছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও শেষ পর্যন্ত অনন্ত মহারাজ প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়ে গিয়েছে।
