রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত যখন উত্তপ্ত। তৃণমূল বিজেপির সংঘাত থামাতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশকে। সেই মুহূর্তে গলসি ও আউশগ্রাম দুই বিধানসভার মাঝে কোটা চণ্ডীপুরে দেখা গেল ব্যতিক্রমী ছবি। রাস্তার উপর পড়ে থাকা তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দিলেন গলসির বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র ও আউশগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি। রাজনৈতিক লড়াই থাকলেও বিরোধী দলের পতাকার প্রতি সম্মান করেন বলেই জানান তাঁরা।
বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র ও কলিতা মাজি বলেন, “আমরা জানি সৌজন্য কাকে বলে। আমরা সব দলের পতাকাকে সম্মান জানাতে জানি। মতের অমিল থাকতে পারে, রাজনৈতিক লড়াই থাকতে পারে, কিন্তু সম্মানবোধ থাকা জরুরি। সেজন্যই বিরোধী দলের পড়ে থাকা পতাকা তুলে দিলাম।”
রাস্তার উপর তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় পতাকা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেই সময় গলসির বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র এবং আউশগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী দলের পতাকা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা সেটিকে অবহেলা না করে নিজেরাই তুলে নেন। রাস্তার পাশে নিজেদের উদ্যোগে পতাকা লাগিয়ে দেন তাঁরা। বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্র ও কলিতা মাজি বলেন, “আমরা জানি সৌজন্য কাকে বলে। আমরা সব দলের পতাকাকে সম্মান জানাতে জানি। মতের অমিল থাকতে পারে, রাজনৈতিক লড়াই থাকতে পারে, কিন্তু সম্মানবোধ থাকা জরুরি। সেজন্যই বিরোধী দলের পড়ে থাকা পতাকা তুলে দিলাম।”
নবদ্বীপ বিধানসভার ভালুকাতেও দেখা গিয়েছে সৌজন্যের ছবি। ভোট (West Bengal Assembly Election) চলাকালীন তৃণমূলের ক্যাম্পে গিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থী শ্রুতিশেখর গোস্বামীকে। হাতে জপমালা নিয়ে তিনি তৃণমূলের ক্যাম্পে যান। সেখানে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, "সারাদিন সবাই ভোট করবেন, সন্ধ্যাবেলায় সবাই একসঙ্গে চা খাবেন।" ভোটের ময়দানে লড়াইয়ের মাঝে সামাজিক সম্পর্ক যাতে নষ্ট না হয়, বার্তা নবদ্বীপের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীর।
