বাংলার নির্বাচনে ভয়ভীতির পরিবেশ নতুন নয়। ভোটের দিন একটিও রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটেনি, এমনটা বোধহয় কোনও নির্বাচনের কথা ইতিহাস লিখে যেতে পারবে না। বিগত কয়েক বছরে সেই ভয়ের বাতাবরণ আরও জোরালো হয়েছে। আর ভয় বলতেই অবধারিতভাবে মনে পড়ে ভাঙড়ের কথা। ছাব্বিশের ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাই লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের। মিলেছেও সাফল্য। নজিরবিহীনভাবে এবার বাংলার ভোটের দুই দফায় তেমন অশান্তি হয়নি। বোমা, গুলিহীন ভোটের সাক্ষী ভাঙড়ও। শান্তিপূর্ণ ভোট (WB 2nd Phase Election 2026) শেষে কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ধন্যবাদ জানালেন ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddique)। তৃণমূলকে খোঁচাও দিলেন তিনি।
তৃণমূলকে টিপ্পনি কেটে নওশাদ বলেন, "আমি ভাঙড়ের তৃণমূলের একটি অংশকে ধন্যবাদ জানাব। যাঁরা সত্যিই শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য সহযোগিতা করেছেন। ভাঙড়ের মানুষ হিংসা চান না। রাজনীতির কারবারি নিজেদের স্বার্থে এই এলাকাকে কলুষিত করার চেষ্টা করেন।" আইএসএফ প্রার্থী মনে করছেন, শান্তিপূর্ণ ভোটের কারণে এবার ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন।
দিনভর বুথে বুথে যান নওশাদ। ভাঙড়ের ১ নম্বর ব্লকের একাধিক বুথে যান। হাতিশালা হাই মাদ্রাসার বুথেও যান আইএসএফ প্রার্থী। নওশাদ বলেন, "কেউ বলছে ১০ বছর। কেউবা ১৫ বছর ভোট দিতে পারেননি। ভাঙড়ের সাধারণ মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব হয়েছে।" এই প্রসঙ্গে তৃণমূলকে টিপ্পনি কেটে নওশাদ আরও বলেন, "আমি ভাঙড়ের তৃণমূলের একটি অংশকে ধন্যবাদ জানাব। যাঁরা সত্যিই শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য সহযোগিতা করেছেন। ভাঙড়ের মানুষ হিংসা চান না। রাজনীতির কারবারি নিজেদের স্বার্থে এই এলাকাকে কলুষিত করার চেষ্টা করেন।" নওশাদ মনে করছেন, শান্তিপূর্ণ ভোটের কারণে এবার ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন। বলে রাখা ভালো, ভাঙড়ে এবার নওশাদ-শওকত লড়াই একেবারে সমানে সমানে। কে শেষ হাসি হাসেন, সেটাই দেখার।
