লাগাতার বিক্ষোভ। হাতাহাতি। বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা। বেলেঘাটা আসন নিয়ে বিড়ম্বনায় বঙ্গ বিজেপি। কর্মী-সমর্থকদের ক্ষোভের আগুন নেভাতে বদল করা হতে পারে প্রার্থী! পরিবর্তে ওই আসনে প্রার্থী হতে পারেন অর্চনা মজুদার। দলীয় সূত্রে এমনটাই খবর।
পার্থকে প্রার্থী হিসাবে মানতে না পেরে, সল্টলেকে বিজেপির দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মীরা। সেই বিক্ষোভে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে কর্মীদের উদ্দেশ্যে চোখ রাঙাতেও দেখা যায়। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে আসরে নামতে হয়। তিনি কর্মীদের বোঝান। তারপরও বিক্ষোভ চলতে থাকে।
'ছাব্বিশের যুদ্ধে' (West Bengal Assembly Election) বেলেঘাটা আসনে পার্থ চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বদের একাংশ পার্থকে পছন্দ করছেন না। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগড়ে দেন তাঁরা। তৃণমূলকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন কর্মীরা। এই বিক্ষোভের জেরেই পার্থকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। তাঁর পরিবর্তে প্রার্থী হতে পারেন অর্চনা মজুমদার। যিনি জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য (যদি প্রার্থী হন সেক্ষেত্রে পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে)। এক সময়ে বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রথম সারির মুখ হিসাবে পরিচিত ছিলেন অর্চনা।
পার্থকে প্রার্থী হিসাবে মানতে না পেরে, সল্টলেকে বিজেপির দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মীরা। সেই বিক্ষোভে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে কর্মীদের উদ্দেশ্যে চোখ রাঙাতেও দেখা যায়। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে আসরে নামতে হয়। তিনি কর্মীদের বোঝান। তারপরও বিক্ষোভ চলতে থাকে। একাধিকবার পার্থর প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মীরা। সেই ক্ষোভের আগুন নেভাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
উল্লেখ্য, শুধু বেলেঘাটা আসনে নয়, পাহাড় থেকে সমতলের একাধিক আসনে প্রার্থী বদলের দাবি উঠেছে। আলিপুরদুয়ার, রানাঘাটের দুই বিধানসভা-সহ একাধিক বিধানসভায় কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ চিন্তায় রেখেছে বিজেপি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। বেলেঘাটার জল্পনার মাঝে প্রশ্ন উঠছে তাহলে, কী বাকি আসনগুলিতেও প্রার্থী বদল করবে বিজেপি?
