রাতভর নিখোঁজ থাকার পর সকালে উদ্ধার বিজেপি শক্তিকেন্দ্র প্রমুখের দেহ। বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে পুরুলিয়ার মফস্বল থানার কানালি গ্রাম থেকে উদ্ধার দেহ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, খুন করা হয়েছে তাঁকে। বিজেপি নেতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নিহত হাবুলাল গোপ। বছর পঁয়তাল্লিশ বছরের ওই বিজেপি নেতা পুরুলিয়ার আড়শা থানার বেলডি ২৬৯ বুথ এলাকার বাসিন্দা। শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ মফস্বল থানার কানালি গ্রামে বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন ওই বিজেপি নেতা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাগ্নে গিরিধারী গোপ। তাঁর দাবি, রাতে আর খোঁজ পাননি হাবুলালের। ভাগ্নে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। ফোন নট রিচেবল থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। এরপর শনিবার সকালে কানালি গ্রামে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ মাহাতো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কলকাতায় রয়েছেন। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তাঁর দাবি, "বিজেপি বুথ সভাপতির দেহ উদ্ধারের সময় মুখে রক্তের দাগ ছিল। পেটে ক্ষতচিহ্ন।"
পুলিশ হাবুলালের দেহ উদ্ধার করে। দেবেন মাহাতো গর্ভনমেন্ট মেডিক্য়াল কলেজ ও হাসপাতালের শহর ক্যাম্পাসে তাঁর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি বলেন, "দেহে কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।" মেডিক্যাল কলেজে এসে আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা অজিতপ্রসাদ মাহাতো বলেন, " এটি একেবারে খুনের ঘটনা। শরীরে রক্তের দাগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত প্রয়োজন।" বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। আর কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রিগেডে শপথ নেবেন নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে দলীয় নেতার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ গেরুয়া শিবির।
