রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশনের। প্রথম দফার নির্বাচনে বুথের বাইরে ও ভিতরে সিসিটিভি লাগানো হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে শুধুমাত্র বুথে নয়, বুথে আসা-যাওয়ার রাস্তাতেও সিসিটিভি লাগানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ করে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে বেশি করে নজরদারি চালানো হবে।
২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। এই দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। দু-এক জায়গা আর কোথাও তেমন বড়সড় অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। শাসক-বিরোধী সকলেই কমিশনকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে। সেই ধারা বজায় রাখতে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে আরও একধাপ নজরদারি বাড়াতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফাতে বুথে যাওয়ার রাস্তাতেও থাকবে সিসিটিভির নজরদারি। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমেও এলাকার উপর নজর রাখা হবে। বিশেষ করে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বেশি করে নজরদারি চালানো হবে। বুথে পৌঁছনোর আগে ভোটারদের যাতে কোনওভাবে প্রভাবিত করা বা আটকে দেওয়া না যায় সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এছাড়াও, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মোট ২ হাজার ২৩১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কলকাতায় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সবচেয়ে কম আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ভোট পরিচালনার কাজ দেখাশোনার জন্য নিযুক্ত করা হবে ১৪২ জন জেনারেল অবজার্ভারকে। ৯৫ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রথম দফার নির্বাচনের পর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক কমিশন। সেই কারণে আরও জোরদার করা হচ্ছে নিরাপত্তাবলয়।
