৪ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের 'দুয়ারে নির্বাচন'। ভোটমুখী (WB Assembly Election 2026) সমস্ত রাজ্যগুলিতে ভোটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। ভোটের লাইনে বসার জায়গার ব্যবস্থা করতে বলল কমিশন। তাহলে কি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার দিন শেষ? নির্দেশিকা দেখে তেমনটাই মনে হচ্ছে। এছাড়াও ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্য-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) একাধিক ব্যবস্থা করার নির্দেশ কমিশনের।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য, চারটি আলাদা ভোটার সহায়তা পোস্টার (ভিএফপি) টাঙাতে হবে। শুধু টাঙালেই হবে না। এমন জায়গায় তা রাখতে হবে যাতে স্পষ্টভাবে সকলে দেখতে পারেন। এই পোস্টারগুলিতে ভোটকেন্দ্রের বিবরণ, প্রার্থীদের তালিকা, ভোটাররা কী কী পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখবেন ও ভোটদান প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে।
কমিশনের তরফে রবিবার জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ২ লক্ষ ১৮ হাজার, ৮০৭টি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে পানীয় জল, ছাউনি-সহ প্রতিক্ষা করার জায়গা, শৌচালয়, বিশেষ চাহিদা সম্পূর্ণ ভোটারদের জন্য আলাদা 'র্যাম্প', কমিশনের শর্ত অনুয়ায়ী আদর্শ ভোটকক্ষের ব্যবস্থার পাশাপাশি, নির্দিষ্ট ব্যবধানে ভোটের লাইনে বসার জন্য বেঞ্চের ব্যবস্থা করার কথা বলেছে কমিশন।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য, চারটি আলাদা ভোটার সহায়তা পোস্টার (ভিএফপি) টাঙাতে হবে। শুধু টাঙালেই হবে না। এমন জায়গায় তা রাখতে হবে যাতে স্পষ্টভাবে সকলে দেখতে পারেন। এই পোস্টারগুলিতে ভোটকেন্দ্রের বিবরণ, প্রার্থীদের তালিকা, ভোটাররা কী কী পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখবেন ও ভোটদান প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে।
আরও নির্দেশ, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের জন্য ভোটার সহায়তা বুথ (ভিএবি) তৈরি করতে হবে। সেখানে বুথ লেভেল আধিকারিক (বিএলও) বা কর্মকর্তাদের একটি দল থাকবে, যাঁরা ভোটারদের ভোটকেন্দ্র নম্বর ও ক্রমিক নম্বর খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বুথের বাইরেই ফোন জমা দিতে হবে ভোটারদের। সেক্ষেত্রে মোবাইল জমা করার জন্য প্রতিটি বুথে স্বেচ্ছাসেবক রাখার কথা বলেছে কমিশন।
