shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

সিএএ'তে নাগরিকত্ব মিললেও নাম ওঠেনি ভোটার তালিকায়! ক্ষুব্ধ বনগাঁর উদ্বাস্তুরা

বিজেপির প্রচারে প্রভাবিত হয়ে অনেকেই সিএএ-তে আবেদন করেন। বেশিরভাগই এখনও পর্যন্ত নাগরিকত্ব শংসাপত্র পাননি।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 09:39 AM Apr 29, 2026Updated: 09:39 AM Apr 29, 2026

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বনগাঁ মহকুমার চারটি বিধানসভা এলাকায় সব মিলিয়ে নাম বাদ গেছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার মানুষের। অভিযোগ, এর মধ্যে বেশিরভাগই মতুয়া উদ্বাস্তু সমাজের মানুষ। ভোটের আগে দীর্ঘ এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই বিজেপির নেতা মন্ত্রী থেকে সাধারণ কর্মীরা প্রচার করছিলেন যে সব উদ্বাস্তু মতুয়ার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তাঁরা সিএএতে আবেদন করলে এবং নাগরিকত্ব পেলে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় উঠে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা ভোটও দিতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল তার উলটো ছবি।

Advertisement

বিজেপির প্রচারে প্রভাবিত হয়ে অনেকেই সিএএ-তে আবেদন করেন। বেশিরভাগই এখনও পর্যন্ত নাগরিকত্ব শংসাপত্র পাননি। তবে কিছু কিছু নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়েছেন। নাগরিকত্ব শংসাপত্র হাতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন এবার হয়তো ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। জানা গিয়েছে, নাগরিকত্বের শংসাপত্রের ফোটোকপি নিয়ে তাঁরা ফর্ম ৬ জমা করেছিলেন নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। বিডিও অফিসে তাঁদের শুনানিও হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেল ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ওঠেনি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ নাগরিকত্ব শংসাপত্র পাওয়া মানুষেরা।

তাঁদেরই একজন বাগদার মালিপতা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর পাঁচপোতার বাসিন্দা লক্ষ্মণ ভদ্র জানালেন, তাঁরা প্রায় ৪০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন। আগে ভোটার তালিকায় নাম ছিল। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের নাম বাদ চলে গিয়েছে। মাসখানেক আগে তাঁরা সিএএ শংসাপত্র হাতে পাওয়ার পর ফর্ম ৬ জমা দিয়েছিলেন। শুনানিও হয়েছিল। ভোটার তালিকায় নাম না ওঠায় তিনি হতাশ। তাঁর বক্তব্য, নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়ে কী লাভ হল যদি ভোট দিতে না পারলাম? একই এলাকার বাসিন্দা শ্রীবাস সিকদারও নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেয়েছিলেন, তাঁরও ভোটার তালিকায় আগে নাম ছিল। কিন্তু এসআইআর-এ তাঁর নাম বাদ গিয়েছিল। ১৯৮৬ সালে তাঁরা এদেশে এসেছিলেন। ক্ষুব্ধ শ্রীবাস বলেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শান্তনু ঠাকুর সকলেই বলেছিলেন নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেলে ভোটার তালিকায় নাম উঠবে কিন্তু কেন উঠল না জানি না। এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুর বলেন, আমরা এতদিন ধরে যা বলে আসছিলাম সেটাই সত্যি প্রমাণিত হল। নাগরিকত্ব শংসাপত্র পেলেও যে নাম উঠবে না সেটাই প্রমাণিত হল। প্রধানমন্ত্রী তো এসে গ্যারান্টি দিয়ে গিয়েছেন মতুয়াদের এবার ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে। তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement