রাত পোহালেই রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে প্রথম দফার ভোট। তার আগেই ইভিএম নিয়ে কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের। ইভিএমের বোতামে কী কী লেগে থাকলে, ভোট বাতিল হতে পারে তা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে কমিশন।
প্রার্থীদের নামের পাশে ভোট দেওয়ার বোতামে কিছু লেগে থাকলে তা সন্দেহজনক বলেই মনে করছে কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে, ইভিএমের বোতামে পারফিউম, কালি, আঠা কিংবা অন্য কোনও রাসায়নিক না লেগে থাকাই বাঞ্ছনীয়। যদি এগুলির মধ্যে একটিও লেগে থাকে, সেক্ষেত্রে 'ভোট ট্যাম্পারিং' বলে গণ্য করা হবে। বাতিলও হতে পারে ভোট। সেই জায়গায় হতে পারে পুনর্নির্বাচন। এছাড়া প্রত্যেক প্রিসাইডিং অফিসারকে কমিশনের কড়া নির্দেশিকা, ভোট শুরুর আগে এবং ভোট চলাকালীন ইভিএম ব্যালট ইউনিট খতিয়ে দেখতে হবে। প্রার্থীর নাম স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে কিনা, ইভিএমের বোতামের উপর কিছু লেগে আছে কিনা, সেদিকে নজর রাখতে হবে। যদিও কোনও অসঙ্গতি থাকে, তবে তড়িঘড়ি তা রিটার্নিং অফিসার কিংবা সেক্টর অফিসারকে জানাতে হবে। তড়িঘড়ি সেই অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের নির্বাচনে একের পর এক বেনজির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে। এমনটাই দাবি নির্বাচন কমিশনের। ঠিক যেমন - ভোটের দু’দিন আগে থেকেই মোটরবাইক চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কমিশন। এমার্জেন্সি ছাড়া সন্ধে ৬টা থেকে ভোর ৬টা অবধি বাইক চালানোয় নিষেধাজ্ঞা। তাছাড়া গত ২১ তারিখ বিকেল থেকে ২৩ পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো পর্যটনস্থলগুলির হোটেল, গেস্ট হাউসগুলিতে বাইরের কোনও ব্যক্তি থাকতে পারবেন না বলেই নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। এমনকী, ভোটের দিন বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। নির্দেশ জারি করে কমিশন আরও জানিয়েছে, এলাকায় কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিশের অনুমতি না নিয়েই ব্যবস্থা নিতে পারবে বাহিনী। অথচ খারাপ কিছু হলে ফল ভুগতে হবে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিককেই।
