ফিরছে ভোট, ফিরছে হিংসা। ভয়ে কাঁটা ভাঙড়। বিধানসভা হোক বা পঞ্চায়েত ভোট, অতীতের ছবি বলছে, ভোট ফিরলেই ভাঙড়ের বাতাসে মেশে বারুদের গন্ধ। একুশের বিধানসভা ভোট এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ের নাম। পঞ্চায়েত ভোটেও ছবিটা বদলায়নি। প্রার্থীদের মনোনয়ন থেকে ভোট গণনার দিন পর্যন্ত গুলি-বোমায় তটস্থ ছিল ভাঙড়ের ভূমি। এবার আরও একটা বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যে হিংসামুক্ত ভোট করাতে বদ্ধ পরিকর কমিশন। দু'দিন আগে ভাঙড় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন কলকাতার সিপি।
পঞ্চায়েত ভোটেও ছবিটা বদলায়নি। প্রার্থীদের মনোনয়ন থেকে ভোট গণনার দিন পর্যন্ত গুলি-বোমায় তটস্থ ছিল ভাঙড়ের ভূমি।
ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপে রণক্ষেত্রের চেহারা নিচ্ছে ভাঙড় (Bhangar Violence)। দিন দুয়েক আগেই দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাধে আইএসএফ-তৃণমূলের (ISF TMC Clash)। চলে মারধর, ইট বৃষ্টি, বাইক ভাঙচুর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় বাহিনী। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া এলাকা। একজনের মৃত্যু হয় বলে খবর। গতকাল উত্তপ্ত ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে আইএসএফের বিরুদ্ধে। বোমাবাজিও হয় বলে অভিযোগ। অতীতে একাধিকবার নওশাদ বনাম শওকত গোষ্ঠীর ঝামেলা সামনে এসেছে। এবার ভোটের আগেই সেই কোন্দল নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে ভাঙড়ে। সূত্রের খবর, গত ভোটের হিংসাপ্রভাবিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে বাহিনীর রুট মার্চ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।
একজনের মৃত্যু হয় বলে খবর। গতকাল উত্তপ্ত ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে আইএসএফের বিরুদ্ধে। বোমাবাজিও হয় বলে অভিযোগ। অতীতে একাধিকবার নওশাদ বনাম শওকত গোষ্ঠীর ঝামেলা সামনে এসেছে।
২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে জন্ম নেওয়া অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট বা ISF সিপিএমের সঙ্গে জোট করে প্রথমবার ভোট যুদ্ধে নেমেই ভাঙড় জেতে নওশাদ সিদ্দিকী। এবার সেই ভাঙড়ে নওশাদ নিজে প্রার্থী হলেও ক্যানিং পূর্বে তৃণমূল ত্যাগী ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুলকে সামনে রেখেই খেলা ঘোরাতে চাইছে আব্বাসের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাঙড়ে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরই মাথাচাড়া দিচ্ছে হিংসা। এখন দেখার শান্তিপূর্ণ ভাঙড়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে পারে কিনা কমিশন।
