ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির কাছে 'ডু অর ডাই' ম্যাচের মতো। সেই ভোটেই হুগলির উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বাজি প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো। সিপিএমের মীনাক্ষী এবং তৃণমূলের শীর্ষণ্যর বিরুদ্ধে ভোটের লড়বেন দুঁদে আধিকারিক। উত্তরপাড়ার ভোটের লড়াইতে শেষ হাসি কে হাসে, সেটাই দেখার।
রাজনৈতিক ওয়াকিবহালদের মতে, সম্প্রতি দীপাঞ্জনবাবুকে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছে। তিনি বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন, বাংলায় জেহাদি কার্যকলাপের উত্থান হচ্ছেন। জেলায় জেলায় নিরাপত্তার ভয়ংকর সংকট দেখা দিয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন। সে কারণেই সম্ভবত তাঁকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিল বিজেপি।
মাত্র কয়েকদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে হাতে পদ্মশিবিরের পতাকা তুলে নেন। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, হয়তো তিনি প্রার্থী হতে পারেন। বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির প্রকাশিত তৃতীয় প্রার্থী তালিকা যেন সেই জল্পনায় সিলমোহর দিল। উত্তরপাড়ায় বিজেপির চমক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। প্রশ্ন উঠছে, উত্তরপাড়ার মতো নজরকাড়া কেন্দ্রে কেন রাজনীতিতে 'নবীন' দীপাঞ্জনকে বেছে নিল পদ্মশিবির। রাজনৈতিক ওয়াকিবহালদের মতে, সম্প্রতি দীপাঞ্জনবাবুকে রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছে। তিনি বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন, বাংলায় জেহাদি কার্যকলাপের উত্থান হচ্ছেন। জেলায় জেলায় নিরাপত্তার ভয়ংকর সংকট দেখা দিয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন। সে কারণেই সম্ভবত তাঁকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিল বিজেপি।
উত্তরপাড়ায় সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আবার এবার তৃণমূলের 'সৈনিক' শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দুঁদে রাজনীতিক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে। ছাত্র রাজনীতি থেকে তাঁর উত্থান। এই দুই প্রার্থীর বিপরীতে বিজেপির দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বলে রাখা ভালো, উত্তরপাড়া কেন্দ্রটি বিশেষভাবে নজরকাড়া। কারণে, অতীতে ফলাফলের ওঠানামা এবং প্রার্থী বদলের ইতিহাসের জন্য এই আসনটি বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তার উপর আবার প্রার্থী নির্বাচনে এক এক দলের এক এক রকম চমকের জন্য উত্তরপাড়ার দিকে যে সকলের বিশেষ নজর থাকবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
