সাপ্লিমেন্টারির দ্বিতীয় তালিকাতেও চূড়ান্ত ভোটার হিসাবে নাম নেই। চরম অস্বস্তিতে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী গোয়ালপোখরের তৃণমূলের ভোটপ্রার্থী গোলাম রব্বানি। ক্ষোভও উগড়ে দিয়েছেন তিনি। তবে শুক্রবার প্রকাশিত দ্বিতীয় তালিকায় শেষপর্যন্ত নিজের নাম নথিভুক্ত হওয়ায় খুশি ‘বিচারাধীন’ থাকা চাকুলিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক কংগ্রেসের প্রার্থী আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)। যদিও উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং ইসলামপুর নয়টি বিধানসভা এলাকার বহু বৈধ বাসিন্দার নাম দ্বিতীয় তালিকাতেও নেই। তালিকায় নাম না মেলায় উদ্বিগ্ন ছড়িয়ে বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্দরে।
শনিবার ইসলামপুরে তৃণমূল প্রার্থী গোলাম রব্বানি বলেন, ‘‘আমার পাসপোর্ট-সহ সমস্ত বৈধ নথি জেলাশাসক-সহ বিডিও ও বিএলওকে যথাসময় পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু দেখছি দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারিতেও আমার নাম নেই। আমি গোয়ালপোখরের বিপ্রীতের ৬০ নম্বর অংশের ৮৩ নম্বর বুথের ভোটার। কিন্তু আমার নাম অ্যাডজুডিকেশন হিসাবে ঝুলে আছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট প্রার্থী হিসাবে আমার নাম ঘোষণা করেছেন। কিন্তু আমি যাতে দাঁড়াতে না পারি, তাই ষড়যন্ত্র করে আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বিচারাধীন রাখা হয়েছে।’’
বস্তুত, এসআইআরে গত ২৮ ফেব্রয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটারের তালিকায় গোলাম রব্বানির নাম নির্বাচন কমিশনের তরফে বিচারাধীন ভোটার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তারপর গত সোমবার প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল না। দ্বিতীয় তালিকাতেও গোলাম রব্বানির নাম নেই। তবে অ্যাডজুডিকেশন থেকে দ্বিতীয় তালিকায় নাম ওঠায় খুশি প্রাক্তন বিধায়ক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চাকুলিয়ার কংগ্রেস প্রার্থী আলি ইমরান রমজ। বলেন, ‘‘প্রথম সাপ্লিমেন্টারি আমার নাম না থাকায় অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারির তালিকা ভোটার হিসাবে নাম নথিভুক্ত হওয়ায় ভোটে দাঁড়াতে আর কোনও সমস্যা রইল না।’’
