পাহাড়ে মনোনয়নে একসঙ্গে মিছিলে পা মেলালেন সাংসদ রাজু বিস্তা ও গোখা জনমুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে বৃহস্পতিবার বিজেপি ও মোর্চা দুজন একত্রে মিছিল করে বিজেপি প্রার্থী সোনম লামাকে সঙ্গে নিয়ে। এবারেও বিজেপি পাহাড়ে জিতবে। আগামী দিনে জিটিএ-ও দখল হবে। এমনই বার্তা দিয়েছেন বিজেপির সাংসদ রাজু বিস্তা ও গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। পাহাড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এদিন মিছিল করে বিজেপিম মনোনয়ন জমা দেয়।
মিছিলটি গোটা কার্শিয়াং শহরে ঘুরে বেড়ায়। তবে বিজেপির অন্যতম জোটসঙ্গী জিএনএলএফকে দেখা যায়নি এদিন। আর ওই মিছিলের পরই সভা করেন বিমল গুরুং ও দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজ বিস্তা। বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোট করে পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। বিজেপি কার্শিয়াং ও কালিম্পং আসনে নিজেদের দলীয় প্রার্থী দিয়েছে। পাশাপাশি মোর্চাকে দেওয়া হয়েছে দার্জিলিং আসনটি। ওই আসনে মোর্চাকে সমর্থন করছে বিজেপি। তবে মোর্চার প্রার্থী লড়বে বিজেপির প্রতীকেই। মনোনয়নের দিন রাজ্য সরকারের তবে পরিবর্তে জিটিএ চিফ এগজিকিউটিভঅনিত থাপা ও ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চাকে তীব্র আক্রমণ করেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং ও সাংসদ রাজু বিস্তা।
রাজু বিস্তা বলেন, "পাহাড়বাসী এবারও মোদিকে সমর্থন করছে। এটা পরিস্কার। পাহাড়বাসীর মধ্যে দারুন উচ্ছ্বাস রয়েছে। আগে বিধানসভা নির্বাচনে (WB Assembly Election 2026) জয়ী হব তারপর জিটিএর পালা। এরপর জিটিএ দখল করব।" বিমল গুরুং বলেন, "জিটিএ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিল অমর লামা। আর সেই রিজেক্টেড মানুষকেই প্রার্থী করেছে বিজিপিএম। কিন্তু আমাদের জোট প্রার্থী ভূমিপুত্র ও স্থানীয়। আমরা জয়ী হচ্ছি। ১৯৮৬ সাল থেকে আমি একটাও নির্বাচনে হারিনি। এবারও হারব না। গতবার জোট হয়নি। সেটা ভুল হয়েছিল। কিন্তু এবার একত্রিত হয়ে লড়ছি। ভালো ফল হবে। অজয় এডওয়ার্ডও জোটে আসতে চাইছিল। কিন্তু হয়নি। ওরাও লড়বে। আমরাও লড়ব। তবে কালিম্পং বাদে বাকি দুই আসনে আমাদের সহজ জয় হবে।"
পাহাড়ে এদিন বিজেপির মিছিলে না থাকা নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে জিএনএলএফ। তাদের দলের গতবারের বিধায়ক নীরজ জিম্বা টিকিট না পাওয়ায় তারা দূরত্ব তৈরি করেছে। কিন্তু তারা কাদের সঙ্গে থাকবে ভোটে নজার মনোনয়ন তা এখনও স্পষ্ট করেনি।
