ভাঙড়ের দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় গত ১৯ মার্চ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল নেতা ওহিদুল ইসলামের। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এতদিন গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন তিনি। আজ হঠাৎ ওহিদুলকে এলাকায় দেখতে পেয়ে তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চক মরিচা তেতুলতলার ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
রাজ্যে বিধানসভা ভোট ঘোষণা হওয়ার পরপরই ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় দু'জন নিহত হন। বোমা বানানোর সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে বলে মনে করা হচ্ছে। পরে এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব নেয় এনআইএ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি স্করপিও গাড়ির চালককে গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযুক্ত ওহিদুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বাড়ি ফিরতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন এলাকার বাসিন্দারা। চালতা বেড়িয়া এলাকা থেকে তিনি যখন একটি চারচাকা গাড়ি করে যাচ্ছিলেন তখনই তাঁকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। এরপরই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাঁকে নালমুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট তথা আইএসএফের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওহিদুল ইসলামই বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। শনিবার তাঁকে এলাকায় দেখতে পেয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
