ভোটপ্রচারের চাপ, তীব্র গরম। এর মাঝে সুস্থ থাকতে সতর্ক হয়ে খাওয়াদাওয়ার কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনার জনসভা থেকে তিনি বললেন, ‘‘যে কোনও কিছু বাইরে খাওয়ার আগে দেখে নেবেন, ঠিক জিনিসটা খাচ্ছেন কি না।’’ আসলে শনিবার ঝাড়গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা থেকে ফেরার পথে ওআরএস ভেবে কীটনাশক খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ১৬ জন। তাঁদের বেশিরভাগই শবর সম্প্রদায়ের। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি তৃণমূলের বুথ সভাপতি টুকারাম মাহাতোও। সেই প্রসঙ্গেই সতর্ক করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
শনিবার ঝাড়গ্রামের জামদার সার্কাস ময়দানে জনসভা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানে গিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী, সমর্থক-সহ বহু জনতা। এই সভা সেরে ফেরার সময়ে প্রবল গরমে তেষ্টা মেটাতে ওআরএস ভেবে ভুল করে কীটনাশক খেয়ে ফেলেছিলেন। তাতে ১৬ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এনিয়ে এলাকায় বেশ শোরগোল পড়ে যায়। তা নিয়েই সতর্ক করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
সপ্তাহ দুই পরই রাজ্যে শুরু হয়ে যাচ্ছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এখন ঝটিকা সফরে এই জেলা থেকে ওই জেলায় প্রচার সারছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা। শনিবার জঙ্গলমহলের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝাড়গ্রামের জামদার সার্কাস ময়দানে জনসভা ছিল তাঁর। সেখানে গিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী, সমর্থক-সহ বহু জনতা। এই সভা সেরে ফেরার সময়ে প্রবল গরমে তেষ্টা মেটাতে ওআরএস ভেবে ভুল করে কীটনাশক খেয়ে ফেলেছিলেন। তাতে ১৬ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এনিয়ে এলাকায় বেশ শোরগোল পড়ে যায়। অসুস্থদের পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়ে। যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁরা আপাতত স্থিতিশীল।
এই ঘটনার পর রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনা থেকে প্রতিক্রিয়া দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘‘ভোটের সময় দেখে দেখে খাবেন। বাইরে যে যা দেবে খাবেন না। আমি বাইরে কিছু খাই না। যে কোনও কিছু বাইরে খাওয়ার আগে দেখে নেবেন, ঠিক জিনিসটা খাচ্ছেন কি না। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ডাক্তার, প্রশাসনিক কর্তারা সাবধান! তাঁরা উলটোপালটা জিনিস খান না। কারণ তাঁদের কাজ ২৪ ঘণ্টা। যে কোনও সময় কাজ করতে হয়। তাই সতর্ক থাকুন। যাতে কেউ বিষাক্ত খাবার দিতে না পারে।’’
