নির্বাচনী (Bengal Election 2026) প্রচারে বেরিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি। পাণ্ডবেশ্বরের দুর্গাপুর ফরিদপুরের জগন্নাথপুর এলাকায় রবিবার তাঁকে দেখে ঝাঁটা দেখান এলাকার মহিলারা। যদিও এর কোনও বিরূপ প্রতিক্রিয়া না দিয়ে ওই মহিলাদের সামনে হাত জোড় করে চলে যান জিতেন্দ্র। তৃণমূলের দাবি, এসআইআরের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গিয়েছে। সেই কারণেই বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এলাকার মহিলারা।
রবিবার পাণ্ডবেশ্বরের দুর্গাপুর ফরিদপুরের জগন্নাথপুর এলাকায় ঢাকঢোল বাজিয়ে নির্বাচনী প্রচার করছিলেন বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র। সে সময় এলাকার এক দল মহিলা জিতেন্দ্রকে ঝাঁটা দেখান। এই ঘটনার ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও মহিলাদের প্রতি হাত জোড় করে পাশ কাটিয়ে চলে যান জিতেন্দ্র। সেই সময় ঘটনাস্থলেই দাঁড়িয়ে ছিলেন দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ ও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। তৃণমূলের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলার লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে বাদ যাওয়া ভোটাররা এদিন জিতেন্দ্রকে ঝাঁটা দেখিয়েছেন।
বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, "ওই মহিলাদের স্বামীরা তাঁদের ঝাঁটা নিয়ে দাঁড়াতে বলেছেন। কিন্তু আমি ওঁদের নমস্কার করে চলে এসেছি।"পালটা তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী দাবি করেন, "যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁরাই প্রতিবাদে সোচ্চার হচ্ছে। আগামীদিনে প্রতিবাদ আরও বাড়বে। তার বহিঃপ্রকাশ হবে।"
অন্যদিকে, রবিবার সকালে বনগাঁ থানার সাহা পাড়া এলাকায় বিজেপির প্রচার চলাকালীন তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। বিজেপির প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পালটা তৃণমূলের অভিযোগ, পুলিশের একাংশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর চড়াও হন বিজেপির লোকজন।
