রানিগঞ্জ ধসপ্রবণ এলাকা। তার ফলে বিপদের আশঙ্কা থেকেই যায়। সেই বিষয়ে শনিবার রানিগঞ্জে ভোটপ্রচারে গিয়ে বড় ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, ওই এলাকা থেকে সরে আসলে ১০ লক্ষ টাকা এবং ২টি ঘর দেওয়া হবে।
মমতা বলেন, "রানিগঞ্জ ধসপ্রবণ এলাকা। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে ৬ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি করেছি। আরও ৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। আমি মা, ভাই, বোনেদের কাছে অনুরোধ করব, মনে রাখবেন মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি দামি। একটা নয়, দু'টো করে ফ্ল্যাট সরকার আপনাদের দেবে। যদি আপনার শিফট করেন। শিফটিংয়ের খরচাও দেবে। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে খরচ ধরা হয়েছে।"
মমতা বলেন, "রানিগঞ্জ ধসপ্রবণ এলাকা। ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে ৬ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি করেছি। আরও ৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। আমি মা, ভাই, বোনেদের কাছে অনুরোধ করব, মনে রাখবেন মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি দামি। একটা নয়, দু'টো করে ফ্ল্যাট সরকার আপনাদের দেবে। যদি আপনার শিফট করেন। শিফটিংয়ের খরচাও দেবে। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে খরচ ধরা হয়েছে। তাতে যদি কিছু বাড়ে তো বাড়বে। মনে রাখবেন, জীবনের সঙ্গে টাকার কোনও তুলনা হয় না। আপনারা ভাবুন নতুন করে। কারণ, যদি কোনওদিন ধস নামে, হাজার হাজার মানুষ ধসের তলায় চলে যাবে। আমরা এটা চাই না। আমরা চাই জীবন সম্পদ রক্ষা হোক। আমি আপনাদের জোর করছি না, আবেদন করছি।"
উল্লেখ্য, মাঝেমধ্যেই রানিগঞ্জ-আসানসোলের রাস্তায় বিরাট ধস নামতে দেখা যায়। কয়লা খনিতেও ধস নামে। পুনর্বাসনের দাবিতে অবরোধ-বিক্ষোভ পশ্চিম বর্ধমানের খনি এলাকার নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। স্থানীয় বাসিন্দাদের বারবার ধসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খনি অঞ্চল রানিগঞ্জের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। ওই এলাকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের জন্য কেন্দ্র টাকা দেয়নি বলেও অভিযোগ করেছিলেন। ওই এলাকার বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
