বাংলায় ক্রমশ চড়ছে ভোটের উত্তাপ। বাদ নেই হুগলির উত্তরপাড়া কেন্দ্রেও। পোস্টার বিতর্কে থমথমে ওই বিধানসভা কেন্দ্র। তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক মহলে জোর কাটাছেঁড়া। তৃণমূলের দাবি, এই পোস্টারের নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। আবার বিরোধী পদ্মশিবির গোটা ঘটনার জন্য শাসক শিবিরের গোষ্ঠীকোন্দলের ছায়া দেখছে।
"খোকা এখনও বাপ ছাড়া একা রাস্তায় বেরোতে শেখেনি, সে নেবে উত্তরপাড়ার মানুষের দায়িত্ব?" উত্তরপাড়ায় এমনই পোস্টার পড়েছে। মাখলা, ভদ্রকালী, হিন্দমোটর, রবীন্দ্রনগর, বিধান পার্ক-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই পোস্টার দেখা যাচ্ছে। পোস্টারের একেবারে নিচে লেখা উত্তরপাড়া কল্যাণ পরিষদ।
পোস্টার ঘিরে উত্তরপাড়ায় জোর শোরগোল। নিজস্ব চিত্র
"খোকা এখনও বাপ ছাড়া একা রাস্তায় বেরোতে শেখেনি, সে নেবে উত্তরপাড়ার মানুষের দায়িত্ব?" উত্তরপাড়ায় এমনই পোস্টার পড়েছে। শনিবার সকাল থেকে মাখলা, ভদ্রকালী, হিন্দমোটর, রবীন্দ্রনগর, বিধান পার্ক-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই পোস্টার দেখা যাচ্ছে। পোস্টারের একেবারে নিচে লেখা উত্তরপাড়া কল্যাণ পরিষদ। তবে এই পোস্টারে কোন রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রতীক নেই। কে বা কারা এই পোস্টার দিল তা-ও জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। তা নিয়ে চলছে জোর রাজনৈতিক কাটাছেঁড়া।
বিজেপির মুখপাত্র প্রণয় রায় বলেন, "বাবার কেমন ব্যবহার সেটা তৃণমূলের কর্মীরাই জানে। তৃণমূল কর্মীরা এই পোস্টার দিয়েছে।" সে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে শাসক শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পালটা খোদ তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "পোস্টারে আমার নাম নেই। ওই পোস্টারটা ফেসবুকে যিনি দিয়েছেন সেই শতরূপ ঘোষ নির্বাচনে তিনবার নিজের কেন্দ্রে গোহারা হেরেছেন। গতবার নির্বাচনে চল্লিশ হাজার ভোট পাননি। সমাজমাধ্যমে যতগুলো ভিউজ পান ততগুলো ভোট পান না। উনি আগে নিজের ভোট পাওয়ার চেষ্টা করুন।"
উল্লেখ্য, অতীতে ফলাফলের ওঠানামা এবং প্রার্থী বদলের ইতিহাসের জন্য উত্তরপাড়া আসনটি বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার উপর আবার প্রার্থী নির্বাচনে এক এক দলের এক এক রকম চমকের জন্য উত্তরপাড়ার দিকে যে সকলের বিশেষ নজর রয়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। উত্তরপাড়ায় সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আবার এবার তৃণমূলের ‘সৈনিক’ শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দুঁদে রাজনীতিক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে। ছাত্র রাজনীতি থেকে তাঁর উত্থান। এই দুই প্রার্থীর বিপরীতে বিজেপির তাস প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তিনিও প্রচারে ব্যস্ত।
