বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর রবিবার দুপুরে প্রথমবার বাড়িতে জমিয়ে মধ্যহ্নভোজ সারলেন শুভেন্দু অধিকারী। মেজো খোকার জন্য নিজের হাতে রান্না পছন্দের সব পদ তৈরি করলেন মা গায়ত্রী অধিকারী। কী কী ছিল মেনুতে?
কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জ’ ঘিরে বরাবর রাজনীতির পরিবেশ। সেই বাড়ি থেকে বিধায়ক, সাংসদ হয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এ তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের যথাযোগ্য পুরস্কার। শুক্রবার যখন তাঁর নাম ঘোষণা করলেন অমিত শাহ, তখনই বদলেছে বাড়ির পরিবেশ। প্রতিবেশীরা গেরুয়া আবির মেখে মেতে ওঠেন নাচেগানে। সেই চেনা ‘বুবাই’ এখন রাজ্য শাসন করবে! এই আনন্দ তো উপচে পড়া! কিন্তু সেই সময় শান্তিকুঞ্জে ছিলেন না শুভেন্দু। তিনি তখন কলকাতায়। তবে মনে মনে মা গায়ত্রীদেবী ঠিক করে নিয়েছিলেন, ছেলে ঘরে ফিরলেই তাঁর পছন্দের খাবারে পাত সাজাবেন।
মেনুতে ছিল, ভাত, করলা সেদ্ধ, মোচার ঘণ্ট, সরষে ইলিশ, পোনা কালিয়া, মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই। গায়ত্রীদেবী আগেই জানিয়েছিলেন, ইলিশ মেজো খোকার বড় পছন্দের। তবে এদিন শেষ পাতে ছিল না মিষ্টি।
শনিবার ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দিনভর একাধিক কর্মসূচি সেরে রাত দুটোয় পৌঁছেছেয় কাঁথির বাড়িতে। সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে বাড়ির বাইরে কার্যত জনস্রোত। এদিকে সেই সময় রান্নাঘরে ছেলের পছন্দের রান্না করতে ব্যস্ত মা। রবিবার মাতৃদিবসে মুখ্যমন্ত্রী ছেলের পাতে পড়ল সব তাঁর পছন্দের খাবার। মেনুতে ছিল, ভাত, করলা সেদ্ধ, মোচার ঘণ্ট, সরষে ইলিশ, পোনা কালিয়া, মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই। গায়ত্রীদেবী আগেই জানিয়েছিলেন, ইলিশ মেজো খোকার বড় পছন্দের। তবে এদিন শেষ পাতে ছিল না মিষ্টি। কারণ, শুভেন্দুর কাঁধে এখন গোটা বাংলার দায়িত্ব। তাই সুস্থ থাকতেই হবে। খাওয়াদাওয়া সেরেই কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
