shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election Result 2026

'আমরা তো হারিনি, রাজভবনে যাব না, আমি ইস্তফা দেব না', কালীঘাট থেকে বিস্ফোরক মমতা

রাজ্যপাল ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিলে কী করবেন, তাও জানালেন মমতা।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 04:49 PM May 05, 2026Updated: 08:01 PM May 05, 2026

সোমেই স্পষ্ট হয়েছে বাংলার ভবিষ্যৎ। এবার বাংলার ভার রাজ্যবাসী তুলে দিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। সোমবার ফলাফল স্পষ্ট হতেই শোনা যাচ্ছিল, বিকেলেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি লোকভবনে যাননি। মঙ্গলবার কালীঘাট থেকে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সাফ জানালেন, তিনি হারেননি। চক্রান্ত করা হয়েছে। তাই ইস্তফা তিনি দেবেন না। তাই রাজভবনেও যাবেন না। তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার বির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা করবেন না বলেই সাফ জানালেন মমতা। 

Advertisement

ভোটের ফলপ্রকাশের পরদিন কালীঘাটের কার্যালয় থেকে সাংবাদিক বৈঠক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছবি: ফেসবুক

১৫ বছর আগে, ২০১১ সালেও পালাবদল দেখেছে বাংলা। ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছিল মানুষ। সেবার ভোটগণনার বিকেলে ফল বুঝতে পেরেই রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মনে করা হয়েছিল সেই ঘটনারই পুুনরাবৃত্তি ঘটবে ২০২৬-এ। সোমবার বিকেলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন। কিন্তু তা হয়নি। মনে করা হচ্ছিল হয়তো আজ অর্থাৎ মঙ্গলে ইস্তফা দেবেন তিনি। এদিন কালীঘাটের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা সাফ জানালেন, ইস্তফা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। সাংবাদিকের ইস্তফা সংক্রান্ত প্রশ্নে মমতা বললেন, "আমরা তো হারিনি। তাই লোকভবনে যাব না। চক্রান্ত করা হয়েছে। হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্ন নেই। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।" 

নিয়ম অনুযায়ী, এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফার নির্দেশ দিতে পারেন রাজ্যপাল আর এন রবি। কিন্তু মমতা জানালেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ পরাজয়কে কোনওভাবেই মানতে নারাজ নন তিনি। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।" উল্লেখ্য, এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে মমতা আরও বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমও সকাল থেকে দেখাতে শুরু করল বিজেপি জিতছে। ৩-৪ রাউন্ড পর থেকেই আমাদের ছেলেদের উপর অত্যাচার শুরু করল। মেরেছে, মেয়েদেরও ছাড়েনি। ১৭ সি ফরম কেড়ে নিয়েছে।” তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘আমি ভিতরে ঢুকলে আমার পেটে মারে, ম্যানহ্যান্ডেল করে। ধাক্কা দিয়ে মারতে মারতে বের করে দিল। মহিলা হিসাবে শুধু নয়, একজন মানুষ হিসেবে আমায় যা অপমান করল, তাতে বুঝলাম কর্মীদের সঙ্গে কী করেছে।” 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement