ভোটগণনায় কোনও অনিয়ম হয়নি। সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে, নিয়ম মেনেই গণনা ও ফলপ্রকাশ হয়েছে। এ নিয়ে ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে ওড়াল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা দক্ষিণের ডিইও এ বিষয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন। তাতে আরও অভিযোগ, গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি বন্ধ, ধাক্কাধাক্কি করে বের করে দেওয়া-সহ যে একাধিক অভিযোগ মমতা তুলেছেন, সেসব তাঁর মনগড়া বলেও দাবি ডিইও-র। তাঁর রিপোর্ট উল্লেখ করে কমিশন দাবি করল, যা হয়েছে, সমস্তটাই নিয়ম মেনে হয়েছে।
মমতা সাংবাদিক বৈঠকের পরই ডিইও-র রিপোর্টটি উল্লেখ করে কমিশন দাবি করল, ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। গণনাপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। কমিশনের যাবতীয় নিয়ম মেনে হয়েছে। গণনা চলাকালীন গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি কখনও বন্ধ হয়নি। গণনা কখনও থমকে যায়নি। ধাক্কাধাক্কির যে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী, তাও তাঁর কল্পনাপ্রসূত।
ছাব্বিশের ভোটে নিজের গড় ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাত পর্যন্ত টানটান লড়াই হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে নিজে ছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেখান থেকে বেরিয়ে গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। বারবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর 'অত্যাচার' নিয়ে সরব হয়েছেন। মঙ্গলবারও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমও দেখাতে শুরু করল বিজেপি জিতছে। ৩-৪ রাউন্ড পর থেকেই আমাদের ছেলেদের উপর অত্যাচার শুরু করল। মেরেছে, মেয়েদেরও ছাড়েনি। ১৭ সি ফরম কেড়ে নিয়েছে।'' তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘আমি ভিতরে ঢুকলে আমার পেটে মারে, ম্যানহ্যান্ডেল করে। ধাক্কা দিয়ে মারতে মারতে বের করে দিল। মহিলা হিসাবে শুধু নয়, একজন মানুষ হিসেবে আমায় যা অপমান করল, তাতে বুঝলাম কর্মীদের সঙ্গে কী করেছে।''
তাঁর এই সাংবাদিক বৈঠকের পরই ডিইও-র রিপোর্টটি উল্লেখ করে কমিশন দাবি করল, ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। গণনাপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। কমিশনের যাবতীয় নিয়ম মেনে হয়েছে। গণনা চলাকালীন গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি কখনও বন্ধ হয়নি। গণনা কখনও থমকে যায়নি। ধাক্কাধাক্কির যে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী, তাও তাঁর কল্পনাপ্রসূত।
